• Home /
  • মহানগর /
  • জয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত শমীক, কর্মীদের দিলেন ‘শান্তির’ পাঠ

জয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত শমীক, কর্মীদের দিলেন ‘শান্তির’ পাঠ

নয়া জামানা ডেস্ক : গণনা শুরুর আগেই জয়ের ব্যাপারে কার্যত নিশ্চিত বিজেপি। তবে সোমবারের চূড়ান্ত মহারণের আগে দলীয় কর্মীদের জন্য কড়া শৃঙ্খলা ও সংযমের বার্তা দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, জয় উদযাপনে যেন কোনোভাবেই হিংসা....

জয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত শমীক, কর্মীদের দিলেন ‘শান্তির’ পাঠ

নয়া জামানা ডেস্ক : গণনা শুরুর আগেই জয়ের ব্যাপারে কার্যত নিশ্চিত বিজেপি। তবে সোমবারের চূড়ান্ত মহারণের....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা ডেস্ক : গণনা শুরুর আগেই জয়ের ব্যাপারে কার্যত নিশ্চিত বিজেপি। তবে সোমবারের চূড়ান্ত মহারণের আগে দলীয় কর্মীদের জন্য কড়া শৃঙ্খলা ও সংযমের বার্তা দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, জয় উদযাপনে যেন কোনোভাবেই হিংসা বা অশান্তির ছায়া না পড়ে। অতীতে বাংলার ভোট-পরবর্তী যে রক্তক্ষয়ী সংস্কৃতির সাক্ষী থেকেছে রাজ্য, তার পুনরাবৃত্তি কোনো অবস্থাতেই চান না তিনি। সল্টলেকে দলের রাজ্য দফতর থেকে রবিবার দুপুরে এক জরুরি সাংবাদিক সম্মেলনে স্পষ্ট ভাষায় এই সতর্কবার্তা দিয়েছেন তিনি। আজ সোমবার রাজ্যের ২৯৩টি বিধানসভা আসনের ভোটগণনা শুরু হতে চলেছে। শুধুমাত্র ফলতায় পুনর্নির্বাচন হওয়ায় সেই আসনের ফল পরে ঘোষণা করা হবে। সকাল ৮টা থেকে কাউন্টিং শুরু হবে এবং বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই বোঝা যাবে বাংলার ক্ষমতা কার হাতে যাচ্ছে। এই চরম উত্তেজনার আবহে শমীক বলেন, ‘জয়ের পরে বিজেপি কর্মীরা যেন হিংসার আশ্রয় না নেন। বিভিন্ন জায়গায় মরিয়া হয়ে একটা রাজনৈতিক দল কিছু অবাঞ্ছিত লোকজনকে জড়ো করছে। কিন্তু এ বার সেই সব করে গণনায় গন্ডগোল করা যাবে না।’ বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী সময়ে যে অশান্তি ছড়িয়েছিল, তাতে তাঁদের অসংখ্য কর্মী-সমর্থক চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সেই ভয়াবহ এবং যন্ত্রণাদায়ক স্মৃতি উসকে দিয়ে শমীক এদিন জানান, ‘২৭ দিনে আমাদের ৫৬ জন বিজেপি কর্মী খুন হয়েছিলেন। ২৭ জন মহিলা ক‍্যামেরার সামনে এসে জানিয়েছিলেন যে তাঁরা গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন।’ সেই পুরনো ক্ষতের কথা মনে করিয়ে দিয়েই তাঁর কড়া নির্দেশ, বিজেপি কর্মীরা যেন কোনোভাবেই প্রতিহিংসার পথে না হাঁটেন। শমীকের কথায়, ‘এর আগের নির্বাচনগুলির পরে বিজেপি কর্মীরা যে অত‍্যাচারের শিকার হয়েছিলেন, এ বার যেন বিজেপি কর্মীরা তার পাল্টা পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা না করেন। আমরা যে অত‍্যাচারের শিকার হয়েছি, আমাদের কর্মীদের পরিবারগুলি যে যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে গিয়েছে, আমরা চাই না অন্যদের এখন সেই যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যেতে হোক।’ এবারের দু’দফার ভোট মোটের উপর শান্তিপূর্ণ হওয়ায় শমীক একে সংসদীয় গণতন্ত্রের বিশেষ জয় হিসেবে দেখছেন। তাঁর মতে, এবার বাংলার মানুষ এক নতুন অভিজ্ঞতার সাক্ষী থাকলেন। শমীক ভট্টাচার্যের ভাষায়, ‘স্বাধীনতার পরে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ একটা ভিন্ন নির্বাচনের স্বাদ পেয়েছেন। স্বাভাবিক ভাবে এই জয় সংসদীয় গণতন্ত্রের জয়, সামগ্রিক ভাবে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের রাজনৈতিক সচেতনতার জয়।’ সোমবারের গণনায় বিজেপির জয়ের বিষয়ে তাঁর মনে কোনো সংশয় নেই। তবে জয় পাওয়ার পর বিজেপি কর্মীরা যাতে কোনোভাবেই হিংসা বা অরাজকতায় জড়িয়ে না পড়েন, সে বিষয়ে আগাম সতর্ক করে দিলেন দলের রাজ্য সভাপতি। বাংলার কলঙ্কিত ভোট-সংস্কৃতি বদলে ফেলাই এখন তাঁর প্রধান লক্ষ্য। তাই গণনার ঠিক আগের মুহূর্তে দলীয় কর্মীদের সংযত ও দায়িত্বশীল থাকার আহ্বান জানালেন তিনি। এই বার্তা তৃণমূল স্তর পর্যন্ত পৌঁছে দিতে মরিয়া গেরুয়া শিবির। শমীকের মতে, প্রকৃত জয় তখনই হবে যখন রাজ্য শান্ত থাকবে। এখন সবার নজর আজকের মেগা রেজাল্টের দিকে। ফাইল ফটো।


বিজেপি এখন ‘গভারমেন্ট ইন, ওয়েটিং : শমীক ভট্টাচার্য

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর