নয়া জামানা ডেস্ক : রীতি ভেঙে বাংলা জয়ের কাণ্ডারি নিজেই আসছেন দরবার সামলাতে। জয়ের পর ‘মুখ্যমন্ত্রী’ বাছতে তিলোত্তমায় পা রাখছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। জানা গেছে,মঙ্গলবার রাত অথবা বুধবার সকালে তাঁর কলকাতায় আসার কথা। সঙ্গে থাকছেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝিও। আগামী ৯ মে নতুন বিজেপি সরকারের শপথগ্রহণ। তার আগেই পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনে বেনজিরভাবে সক্রিয় শাহ। সাধারণত কোনও রাজ্যে শাহ নিজে এসে দলনেতা বাছেন না। কিন্তু বাংলার ক্ষেত্রে শাহ নিজেই পর্যবেক্ষকের গুরুদায়িত্বে। সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে থাকছেন মোহনচরণ মাঝি। জয়ী বিধায়ক ও রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করবেন তাঁরা। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর— জোড়া আসনে ‘বড় ব্যবধানে’ জিতে তিনি এখন মধ্যমণি। তবে লড়াইয়ে রয়েছেন আরও দু-একজন। বাংলার ভোটপ্রচারে শাহের ভূমিকা ছিল নজরকাড়া। লাগাতার ‘ডেলি প্যাসেঞ্জারি’ থেকে শুরু করে প্রতিটি বিধানসভায় নিখুঁত স্ট্র্যাটেজি— সবটাই তাঁর মস্তিষ্কপ্রসূত। শাহের সেই মেহনতেই এই বিশাল সাফল্য। তাই সরকার গঠনের শেষ ধাপটুকুও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাঁর হাতেই ছেড়েছে। আগামী ৯ তারিখ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাজ্যে আসার আগেই ‘মুখ্যমন্ত্রী’র নাম চূড়ান্ত করে ফেলতে চায় দল। শাহ ও মাঝির উপস্থিতিতে বুধবারের এই বৈঠক ঘিরেই এখন রাজ্য রাজনীতিতে চূড়ান্ত উত্তেজনা। মোদির আগমনের আগেই বিজেপি সেরে নিতে চায় তাদের রণকৌশলের শেষ পর্ব। সব মিলিয়ে গেরুয়া শিবিরের অন্দরমহল এখন শাহের অপেক্ষায় টগবগ করে ফুটছে। বাংলার মাটি থেকেই শুরু হবে বিজেপির নতুন এই শাসনের পথচলা। এখন কেবল সিলমোহর পড়ার অপেক্ষা। ফাইল ফটো।