ব্রেকিং
  • Home /
  • মহানগর /
  • বিজেপি এখন ‘গভারমেন্ট ইন, ওয়েটিং : শমীক ভট্টাচার্য

বিজেপি এখন ‘গভারমেন্ট ইন, ওয়েটিং : শমীক ভট্টাচার্য

নয়া জামানা,কলকাতা : রাজ্যে শিল্প নেই, কাজ নেই। শিক্ষা ব্যবস্থা ধুঁকছে। আর এই ত্র্যহস্পর্শে বাংলা থেকে শুরু হয়েছে মেধা, পুঁজি ও শ্রমের ব্যাপক বহির্গমন বা ‘এক্সোডাস’। শনিবার কলকাতা প্রেস ক্লাবে ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে রাজ্যের শাসকদলকে এভাবেই বিঁধলেন বিজেপি রাজ্য....

বিজেপি এখন ‘গভারমেন্ট ইন, ওয়েটিং : শমীক ভট্টাচার্য

নয়া জামানা,কলকাতা : রাজ্যে শিল্প নেই, কাজ নেই। শিক্ষা ব্যবস্থা ধুঁকছে। আর এই ত্র্যহস্পর্শে বাংলা থেকে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা,কলকাতা : রাজ্যে শিল্প নেই, কাজ নেই। শিক্ষা ব্যবস্থা ধুঁকছে। আর এই ত্র্যহস্পর্শে বাংলা থেকে শুরু হয়েছে মেধা, পুঁজি ও শ্রমের ব্যাপক বহির্গমন বা ‘এক্সোডাস’। শনিবার কলকাতা প্রেস ক্লাবে ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে রাজ্যের শাসকদলকে এভাবেই বিঁধলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা রাজ্যসভা সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর দাবি, গত ১৫ বছরে পশ্চিমবঙ্গ থেকে শিক্ষা, শিল্প ও চাকরি— সব চলে গিয়েছে। বর্তমানে বিজেপি এ রাজ্যে স্রেফ ‘গভারমেন্ট ইন ওয়েটিং ’। জনতা বনাম তৃণমূলের এই লড়াইয়ে এখন শুধুই সময়ের অপেক্ষা। শমীকের নিশানায় ছিল তৃণমূলের গত দেড় দশকের শাসনকাল। তাঁর মতে, ২০১১ সালে গণতন্ত্র ফেরানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এলেও বর্তমানে সেই কাঠামো পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। প্রশাসনের সঙ্গে শাসকদলের পার্থক্য মুছে গিয়েছে বলে তোপ দাগেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে প্রশাসন ও শাসকদলের মধ্যে পার্থক্য প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে’। এমনকি বিচারব্যবস্থা ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ক্রমাগত আক্রমণের মুখে পড়তে হচ্ছে যা গণতন্ত্রের জন্য চরম বিপজ্জনক বলে তিনি সতর্ক করেন। রাজ্যের আর্থিক দিক নিয়েও সরব হন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। তিনি জানান, রাজ্যে ঋণের বোঝা পাহাড়প্রমাণ হলেও ক্যাপিটাল এক্সপেন্ডিচার বা মূলধনী ব্যয় কমছে। শিল্পায়নের খরা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘গত 15 বছরে প্রায় 79 হাজার কারখানা বন্ধ হয়ে গিয়েছে এবং হাজারেরও বেশি কোম্পানি লিকুইডেশনে রয়েছে’। বহু সংস্থা তাদের সদর দফতর ভিন রাজ্যে সরিয়ে নেওয়ায় বাংলার মেধা বাইরে চলে যাচ্ছে। সিঙ্গুর বা নন্দীগ্রামের মতো ঘটনা শিল্প মহলে যে নেতিবাচক বার্তা দিয়েছে, তা আজও কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি। কৃষি ও নিরাপত্তা প্রশ্নেও সরকারকে একহাত নিয়েছেন শমীক। তাঁর মতে, প্রাকৃতিক সম্পদ ও মানবসম্পদ থাকা সত্ত্বেও সদিচ্ছার অভাবে বাংলা পিছিয়ে পড়ছে। বিশেষ করে আলু চাষিদের বর্তমান অবস্থাকে তিনি ‘ভয়াবহ’ বলে বর্ণনা করেন। পাশাপাশি রাজ্যে ‘র‍্যাডিকালাইজেশন’ ও জনবিন্যাস পরিবর্তনকে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করে তিনি বলেন, এ রাজ্যে এখন ‘আইনশৃঙ্খলার সম্পূর্ণ অবক্ষয়’ হয়েছে। আগামী বিধানসভা নির্বাচন প্রসঙ্গে শমীক জানান, এটি বিজেপি বনাম তৃণমূল নয়, বরং ‘জনতা বনাম তৃণমূল’ এর লড়াই। মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী কে হবেন, সেই প্রশ্নের উত্তরে তিনি স্পষ্ট করেন যে বিজেপি ব্যক্তি নয়, বরং নীতি ও কর্মসূচির ভিত্তিতে লড়ে। তাঁর দাবি, ‘জনগণই দলের মুখ’। ভোটার তালিকা শুদ্ধিকরণ থেকে শুরু করে মহিলা সংরক্ষণ— সব বিষয়েই বিজেপির অবস্থান স্পষ্ট করেন তিনি। তাঁর আহ্বান, দুর্নীতিমুক্ত ও ভয়মুক্ত বাংলা গড়তে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থে পরিবর্তনের পক্ষেই রায় দেবে মানুষ। ফাইল ফটো।


রাজ্যে অবাধ নির্বাচনের স্বার্থেই রদবদল, ‘একচ্ছত্র’ ক্ষমতার প্রশ্নে জবাব কমিশনের

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর