নয়া জামানা, ডেস্ক : লক্ষীর ভান্ডার আর ম্যাজিক দেখালো না। সোমবার ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের মহাপতনের সাক্ষী থাকলো গোটা রাজ্যবাসী। নিজের গড় ভবানীপুরেও শুভেন্দু অধিকারীর কাছে প্রায় ১৫ হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী ৯ই মে, বাঙালির পঁচিশে বৈশাখের শুভ লগ্নে গেরুয়া শিবির গড়তে চলেছে বঙ্গে তাদের প্রথম সরকার। কিন্তু পরাজয়ের প্রায় ২৪ ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও এখনও ইস্তফা দেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর নামের পাশে এখন ‘প্রাক্তন’ শব্দের ব্যবহার যুক্তিযুক্ত। ফলে মমতার পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে যখন আলোচনা চলছে, তারই মধ্যে তাঁর বাড়ির সামনে থেকে সরল নিরাপত্তা। কালীঘাটের ৩০বি, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটেই বরাবর থেকেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এটাই তাঁর পৈতৃক বাড়ি হিসাবে খ্যাত। রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকে মুখ্যমন্ত্রী হওয়া পর্যন্ত, তাঁর সেই বাড়িতে খুব বেশি বদল হয়নি। তবে বদলে গিয়েছিল হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের পরিবেশ। প্রথম দিকে তেমন কোনও বদল হলেও, ২০১৬-র পর মমতার বাড়ির নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়। পরে তাঁর বাড়ির সামনের রাস্তাটা কার্যত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। মেইন রোড থেকে ঢুকতে গেলেও গার্ডরেল পেরতে হত।ওই এলাকার বাসিন্দাদের ঢুকতে গেলে জানাতে হত যে তিনি ওই এলাকায় থাকেন। অন্যান্যদেরও জানাতে হতো যে ওই রাস্তায় তাঁরা কী কারণে যাচ্ছেন। এবার গার্ডরেল উঠে যাওয়ার পর যাতায়াতে আর কোনও বাধা থাকছে না। তবে গলির মুখে যে পুলিশি নিরাপত্তা রয়েছে, তা বহাল থাকছে। গত এক দশক ধরে যে রাস্তাটি কড়া নিরাপত্তায় ঘেরা ছিল, ভোটের ফলাফলের পর তা সাধারণের জন্য খুলে দেওয়া এক রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিতকে বহন করে।
ভিক্ষার অজুহাতে চুরির চেষ্টা, মহিলাকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিলো গ্রামবাসী