ব্রেকিং

ছাপ্পা ভোটের থাবা শিলিগুড়িতে, কড়া পাহারাতেও ভোট চুরি!

কুশল রায়, নয়া জামানা, শিলিগুড়ি : কড়া নিরাপত্তা আর কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপ, তবুও আটকানো গেল না ছাপ্পা ভোট। শিলিগুড়ির বিভিন্ন এলাকায় উঠল ভোট চুরির অভিযোগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। প্রতিবাদে সরব হয়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে....

ছাপ্পা ভোটের থাবা শিলিগুড়িতে, কড়া পাহারাতেও ভোট চুরি!

কুশল রায়, নয়া জামানা, শিলিগুড়ি : কড়া নিরাপত্তা আর কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপ, তবুও আটকানো গেল না....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


কুশল রায়, নয়া জামানা, শিলিগুড়ি : কড়া নিরাপত্তা আর কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপ, তবুও আটকানো গেল না ছাপ্পা ভোট। শিলিগুড়ির বিভিন্ন এলাকায় উঠল ভোট চুরির অভিযোগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। প্রতিবাদে সরব হয়েছে রাজনৈতিক দলগুলি।

জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে ভারতনগরের একটি বুথে ভোট দিতে গিয়ে চরম হয়রানির শিকার হলেন কাজল দাস নামে এক তরুণী। জীবনের প্রথম ভোট দেওয়ার উৎসাহ নিয়ে বুথে পৌঁছে তিনি শোনেন, তাঁর ভোট ইতিমধ্যেই দেওয়া হয়ে গিয়েছে। হতভম্ব কাজল ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, এত নিরাপত্তা থাকার পরেও কী করে একজনের ভোট অন্যজন দিতে পারলেন জানি না। প্রথম ভোটটা দিতে পারলাম না, খুব খারাপ লাগছে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান বিজেপি প্রার্থী শংকর ঘোষ। তিনি ওই ভোটারকে নিয়ে পুনরায় বুথে গেলে ভোটকর্মীদের সাফাই, সম্ভবত ভোটার স্লিপ অদলবদলের কারণে এই বিপত্তি। যদিও এই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নয় রাজনৈতিক মহল। এই ধরনের ভুল কীভাবে সম্ভব, তা নিয়ে উঠছে বড়সড়ো প্রশ্ন।

এদিকে, ভারতনগরের পর ১ নম্বর ওয়ার্ডেও ছাপ্পা ভোটের গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে। ওয়ার্ডের ৪৯ নম্বর বুথে ভোট দিতে গিয়ে স্থানীয় এক ভোটার রাকেশ সাহানী জানতে পারেন, তাঁর নামের পাশে ইতিপূর্বেই টিক পড়ে গিয়েছে, অর্থাৎ তাঁর ভোট দেওয়া হয়ে গিয়েছে। নিজের ভোট অন্য কেউ দিয়ে দিয়েছে শুনেই বুথের ভেতর প্রতিবাদ জানান রাকেশ। এই খবর বাইরে আসতেই তাঁর পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন।

ঘটনাটি জানতে পেরে দ্রুত ওই বুথে পৌঁছান তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী গৌতম দেব। তিনি ভোটকর্মীদের কাছে এই অনিয়ম নিয়ে কৈফিয়ত চান এবং কীভাবে কড়া নিরাপত্তার মাঝেও একজনের ভোট অন্যজন দিয়ে চলে গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। গৌতম দেবের উপস্থিতিতেই বুথ চত্বরে উত্তেজনা তৈরি হয়।

তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, এলাকায় বিশৃঙ্খলা তৈরি করে ভোটারদের ভয় দেখানো হচ্ছে। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হস্তক্ষেপ করে। ঘটনার জেরে বেশ কিছুক্ষণ ওই বুথে ভোটদান প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। তবে রাকেশ সাহানী শেষ পর্যন্ত ভোট দিতে পারলেন কি না, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে।


ভোটের সকালেই রক্তাক্ত ডোমকল, বামেদের বুথে যেতে বাধা তৃণমূলের

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর