ব্রেকিং
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • কেউ চান পরিবর্তন, আবার কেউ প্রত্যাবর্তন, ভোট দিয়ে আত্মবিশ্বাসী সব দলের প্রার্থীই

কেউ চান পরিবর্তন, আবার কেউ প্রত্যাবর্তন, ভোট দিয়ে আত্মবিশ্বাসী সব দলের প্রার্থীই

নয়া জামানা ডেস্ক : রাজ্যে শুরু হল প্রথম দফার হাইভোল্টেজ বিধানসভা নির্বাচন। সকালের মিঠে রোদ গায়ে মেখেই বুথের বাইরে দেখা গেল ভোটারদের দীর্ঘ লাইন। সাধারণ নাগরিকদের ভিড়ে শামিল হলেন হেভিওয়েট প্রার্থীরাও। কেউ মন্দিরে পুজো দিয়ে দিন শুরু করলেন, তো কেউ....

কেউ চান পরিবর্তন, আবার কেউ প্রত্যাবর্তন, ভোট দিয়ে আত্মবিশ্বাসী সব দলের প্রার্থীই

নয়া জামানা ডেস্ক : রাজ্যে শুরু হল প্রথম দফার হাইভোল্টেজ বিধানসভা নির্বাচন। সকালের মিঠে রোদ গায়ে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা ডেস্ক : রাজ্যে শুরু হল প্রথম দফার হাইভোল্টেজ বিধানসভা নির্বাচন। সকালের মিঠে রোদ গায়ে মেখেই বুথের বাইরে দেখা গেল ভোটারদের দীর্ঘ লাইন। সাধারণ নাগরিকদের ভিড়ে শামিল হলেন হেভিওয়েট প্রার্থীরাও। কেউ মন্দিরে পুজো দিয়ে দিন শুরু করলেন, তো কেউ আবার পরিবারের বড়দের আশীর্বাদ নিয়ে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে হাজির হলেন নিজ নিজ ভোট কেন্দ্রে। বিজেপি প্রার্থীদের গলায় শোনা যাচ্ছে ‘পরিবর্তন’-এর হুঙ্কার, অন্যদিকে তৃণমূল প্রার্থীরাও ঘাসফুলের ‘প্রত্যাবর্তন’ নিয়ে সমান আশাবাদী। ভোটের পরিবেশে কমিশনের ভূমিকায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থী অধীররঞ্জন চৌধুরী। ভোট দিয়ে বেরিয়ে তিনি বলেন, ‘এ বার বহুস্তরীয় নিরাপত্তার ব‍্যবস্থা হয়েছে। ফলে ভোটকেন্দ্রে ঢুকে গিয়ে ছাপ্পা দেওয়া, বুথ দখল করা, এ সব এ বার হবে না।’ তাঁর মতে, বাইরে থেকে ভয় দেখানোর চেষ্টা হলেও ভোটারদের ধাক্কা মেরে বের করে দেওয়ার চেনা ছবি এ বার অতীত। অধীরের স্পষ্ট কথা, ‘নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা এখনও পর্যন্ত যা দেখা যাচ্ছে, তা সন্তোষজনক।’ জয়ের পরিসংখ্যান নিয়ে বড় দাবি করলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার দুপুরে সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘শুধু পূর্ব মেদিনীপুরের মধ্যে আমাকে আটকে রাখবেন না। ১৫২টা আসনের মধ্যে ১২৫-এর নীচে বিজেপির নামার কোনও জায়গা নেই। উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল সাফ হয়ে গিয়েছে একদম।’ গেরুয়া শিবিরের এই দাবি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বীরভূমের দাপুটে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলকে দেখা গেল বেশ ফুরফুরে মেজাজে। মেয়ে সুকন্যাকে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিয়ে বেরিয়ে তিনি শোনালেন শান্তির বাণী। অনুব্রতর কথায়, ‘মানুষকে বলব, সুস্থ ভাবে ভোট করুন। কুল কুল ঠান্ডা, আরামসে ভোট করুন।’ জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী এই নেতা আরও যোগ করেন, ‘খুব ভাল শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হচ্ছে। এটাই তো আমরা চেয়েছিলাম। এটাই তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় চেয়েছিলেন। বীরভূমের ১১টি আসনেই জিতব।’ বাম শিবিরেও দেখা গেছে জয়ের প্রত্যয়। সিপিএম নেতা সূর্যকান্ত মিশ্র ভোটদানের পর বুথের বাইরে জানান, এ বার বামেদের ভোটব্যাঙ্ক বৃদ্ধি পাবে। তাঁর তাত্ত্বিক পর্যবেক্ষণ, ‘মেরুকরণ যেমন চলছে, তেমন মেরুকরণ ভাঙছেও।’ তবে কমিশনের অতি সক্রিয়তা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন নানুরের তৃণমূল প্রার্থী কাজল শেখ। নিজের গ্রামে ভোট দিয়ে বেরিয়ে তিনি বলেন, ‘বেছে বেছে তৃণমূল নেতাদের নজরদারির মধ্যে রেখেছে। তাও মানুষ হাসি মুখে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট তৃণমূলকেই দিচ্ছেন। ৪ তারিখ কমিশনের পরাজয় নিশ্চিত।’ ব্যতিক্রমী মেজাজে দিন শুরু করেন এশিয়াডে সোনাজয়ী অ্যাথলিট তথা রাজগঞ্জের তৃণমূল প্রার্থী স্বপ্না বর্মণ। পাতকাটা ঘোষপাড়া বিএফপি স্কুলে পরিবারের সঙ্গে ভোট দিয়ে তিনি এক অনন্য নজির গড়েন। আসানসোলের লড়াইও ছিল হাড্ডাহাড্ডি। আসানসোল দক্ষিণে বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পাল এবং উত্তরে তৃণমূলের মলয় ঘটক সকাল সকাল নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে জয়ের দাবি করেন। শিলিগুড়িতে আবার লড়াই দুই হেভিওয়েটের। তৃণমূলের গৌতম দেব নিজের পোষ্যকে আদর করে ও মন্দিরে পুজো দিয়ে সাধারণের মতো লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেন। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষ তথা বিজেপি প্রার্থী শঙ্কর ঘোষ কালীবাড়িতে পুজো দিয়ে বুথে পৌঁছে বলেন, ‘বাংলায় এবার পরিবর্তন নিশ্চিত।’ উত্তর থেকে দক্ষিণ— সর্বত্রই একই চিত্র। বালুরঘাটের বিজেপি প্রার্থী বিদ্যুৎকুমার রায়ও সস্ত্রীক ভোট দিয়ে সাফ জানান, রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠন কেবল সময়ের অপেক্ষা। সব মিলিয়ে প্রথম দফার এই লড়াই কেবল ব্যালটের নয়, বরং বাংলার ভবিষ্যৎ নির্ধারণের এক মহাযুদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়েছে।


লক্ষ্য ১৭৭ পার, ‘ব্রেকফাস্ট-লাঞ্চ’, তত্ত্বে ভোটে জিততে চান শুভেন্দুরা

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর