নয়া জামানা:দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর অবশেষে সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর কেন্দ্রের আসন্ন উপনির্বাচনে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না কোনও পক্ষ। ফলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়- দুই শিবিরের প্রার্থীদেরই লড়তে হবে ভিন্ন নাম ও প্রতীকে।
কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ১১টার মধ্যে ১৮৪টি মুক্ত প্রতীকের তালিকা থেকে পছন্দের তিনটি নাম ও প্রতীক বেছে জানাতে হবে দুই পক্ষকে, যার থেকে একটি চূড়ান্ত করবে কমিশন।বৃহস্পতিবার প্রথমে ঋতব্রত শিবির এবং পরে মমতা-শিবিরের প্রতিনিধিদের পৃথকভাবে তলব করে বিস্তারিত নথি ও যুক্তি শোনে কমিশন। এর আগে শনিবারও দুই পক্ষের সঙ্গে ম্যারাথন বৈঠক হয়েছিল, যেখানে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার-সহ পুরো বেঞ্চ উপস্থিত ছিলেন। সেই বৈঠকের পরই প্রতীক ফ্রিজের সম্ভাবনা জোরালো হচ্ছিল, যা বৃহস্পতিবারের নির্দেশে বাস্তবে পরিণত হল।সিদ্ধান্তকে মমতা-শিবিরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কমিশনের নির্দেশকে বেআইনি আখ্যা দিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করলেও জানিয়েছেন, সময়সীমার মধ্যে প্রতীক বেছে নেওয়ার প্রক্রিয়া তাঁরা মেনে চলবেন।অন্যদিকে ঋতব্রত-শিবিরের বিধায়ক আখরুজ্জামান কমিশনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, সময়ের অভাবেই দ্রুত নির্দেশ দিতে হয়েছে কমিশনকে, তবে মামলার নিষ্পত্তি পর্যন্ত জোড়াফুল প্রতীক নিজেদের দখলেই থাকবে বলে তাঁর বিশ্বাস।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে ভোটগ্রহণ এবং ৯ অক্টোবর ফল প্রকাশিত হবে।
আরো পড়ুন
ভোটের আগে ফের ফাটল আলিমুদ্দিনে, সেলিমকে চিঠি দিয়ে ইস্তফা প্রতীকের