নয়া জামানা:তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআইতে যাওয়া সাংসদদের সরাসরি বিজেপিতে যোগদান নিয়ে কোচবিহারের সাংসদ জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়ার দাবি উড়িয়ে দিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কেউ বিজেপিতে যোগ দিতে চাইলেই যে দল তাঁকে নিয়ে নেবে, এমন ভাবার কোনও কারণ নেই।
২০২১ সালের নির্বাচনের পর বিজেপি কর্মীদের উপর যে অত্যাচার হয়েছিল, তা ভুললে চলবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। কটাক্ষের সুরে শমীকের মন্তব্য, যাঁরা এখন বিজেপিতে যোগদান করতে চাইছেন, তা যেন মঙ্গল গ্রহের বিজেপিতে যোগদানের ইচ্ছা।সম্প্রতি জগদীশ বসুনিয়া দাবি করেন, তৃণমূল ছেড়ে আসা ২০ জন এনসিপিআই সাংসদের মধ্যে ১৭ জন পুজোর আগে বা পরে সরাসরি বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন। তবে মুর্শিদাবাদের তিন সংখ্যালঘু সাংসদ আবু তাহের খান, খলিলুর রহমান এবং ইউসুফ পাঠান সরাসরি বিজেপিতে যোগ দেবেন না। তাঁরা এনসিপিআইতে থেকেই এনডিএ-কে সমর্থন করে যাবেন বলে জানান তিনি।জগদীশের দাবি অনুযায়ী, দলত্যাগবিরোধী আইন এড়াতেই বিজেপি নেতৃত্বের পরামর্শে তাঁরা প্রথমে এনসিপিআইতে যোগ দিয়েছিলেন, পরবর্তীতে বিজেপিতে যোগদানের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু তিন সংখ্যালঘু সাংসদের আপত্তিতে গোটা প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হয়, যা নিয়ে বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনাও হয়েছিল বলে দাবি তাঁর।এই ঘোষণা ঘিরে বিজেপির অন্দরে শুরু হয়েছে আলোচনা। দলের একাংশের আশঙ্কা, তৃণমূল থেকে আসা এনসিপিআই সাংসদদের এভাবে সরাসরি বিজেপিতে যোগদান করালে দলের কোর ভোটব্যাঙ্কে প্রভাব পড়তে পারে।এনসিপিআই সাংসদদের সঙ্গে বিজেপি নেতৃত্বের ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতা নিয়েও দলীয় কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে বলে খবর। এই পরিস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে আনতেই এবার সরাসরি ময়দানে নামলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, এবং জগদীশ বসুনিয়ার দাবি নস্যাৎ করে দিলেন তিনি।
মাঝরাতে মাস্টারস্ট্রোক শুভেন্দুর, তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে খগেন্দ্র