সুস্মিতা রায়, নয়া জামানা, জলপাইগুড়ি :ময়নাগুড়িতে তন্ত্রসাধনার নামে এক চোদ্দ বছরের নাবালককে বলি দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনায় অভিযুক্ত এক মহিলা। আতঙ্কে রয়েছেন নাবালকের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ময়নাগুড়ি শহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাহাপাড়া এলাকার বাসিন্দা ওই নাবালককে কয়েকদিন আগে স্টেশন সংলগ্ন ব্যাংকান্দি এলাকার এক মহিলা নিজের বাড়িতে ডেকে নিয়ে যান। অভিযোগ, সেখানে নাবালকের মুখ গামছা দিয়ে বেঁধে পুজো-আর্চা করা হচ্ছিল। ঘরের সামনে একটি ধারালো অস্ত্র রাখা ছিল বলেও দাবি স্থানীয়দের। তাঁদের আশঙ্কা, তন্ত্রসাধনার আড়ালেই নাবালককে বলি দেওয়ার চেষ্টা চলছিল।
ঘটনাটি নজরে আসতেই সন্দেহ হওয়ায় এক মহিলা বিষয়টি নাবালকের পরিবারের সদস্যদের জানান। পরে নাবালকের মা সেখানে পৌঁছে ছেলেকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন। যদিও ঘটনাটি কয়েকদিন আগের, মঙ্গলবার নাবালকের মা ও প্রতিবেশীরা একযোগে ময়নাগুড়ি থানা-য় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এদিকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সাহাপাড়া এলাকায় অভিযুক্ত মহিলার এক আত্মীয়ের বাড়ির সামনে স্থানীয়দের ভিড় জমায় উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, সেই সময় অভিযুক্তের মেয়ের সঙ্গে স্থানীয়দের বচসা শুরু হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
নাবালকের মা জানান, তন্ত্রসাধনার নামে তাঁর ছেলেকে ক্ষতি করার চেষ্টা করা হয়েছিল। ঘটনার পর থেকে শিশুটি ভীষণ আতঙ্কে রয়েছে। এলাকাবাসীরাও ঘটনার তীব্র নিন্দা করে অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন:
সন্দীপের নামে ইডির প্রথম চার্জশিট. বিপাকে ‘হুইসেল ব্লোয়ার’ আখতারও