ব্রেকিং
  • Home /
  • জেলা /
  • স্বাধীনতা সংগ্রামীর পরিবারের সঙ্গে বিডিও-র দুর্ব্যবহারের অভিযোগ, পাশে দাঁড়ালেন বিধায়ক

স্বাধীনতা সংগ্রামীর পরিবারের সঙ্গে বিডিও-র দুর্ব্যবহারের অভিযোগ, পাশে দাঁড়ালেন বিধায়ক

অরুণ কুমার সাউ, নয়া জামানা, মহিষাদল: ভারতের প্রখ্যাত স্বাধীনতা সংগ্রামী ও সংবিধান প্রণেতা সতীশচন্দ্র সামন্তর পরিবারের সদস্যের সঙ্গে মহিষাদলের ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক জিষ্ণু দে-র দুর্ব্যবহার ও অপমানের অভিযোগে এলাকা জুড়ে তীব্র রাজনৈতিক শোরগোল শুরু হয়েছে। আক্রান্ত অনুভাষ সামন্ত ভারতের প্রাক্তন....

স্বাধীনতা সংগ্রামীর পরিবারের সঙ্গে বিডিও-র দুর্ব্যবহারের অভিযোগ, পাশে দাঁড়ালেন বিধায়ক

অরুণ কুমার সাউ, নয়া জামানা, মহিষাদল: ভারতের প্রখ্যাত স্বাধীনতা সংগ্রামী ও সংবিধান প্রণেতা সতীশচন্দ্র সামন্তর পরিবারের....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


অরুণ কুমার সাউ, নয়া জামানা, মহিষাদল: ভারতের প্রখ্যাত স্বাধীনতা সংগ্রামী ও সংবিধান প্রণেতা সতীশচন্দ্র সামন্তর পরিবারের সদস্যের সঙ্গে মহিষাদলের ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক জিষ্ণু দে-র দুর্ব্যবহার ও অপমানের অভিযোগে এলাকা জুড়ে তীব্র রাজনৈতিক শোরগোল শুরু হয়েছে। আক্রান্ত অনুভাষ সামন্ত ভারতের প্রাক্তন এই সাংসদের ভ্রাতুষ্পুত্রের ছেলে এবং বর্তমানে তিনি মারণ রোগ ক্যান্সারে আক্রান্ত। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী ও জেলাশাসকের তৎপরতায় তিনি মহিষাদল পঞ্চায়েত সমিতিতে চতুর্থ শ্রেণীর অস্থায়ী কর্মী হিসেবে যোগ দেন।

 

অনুভাষবাবুর মা অনিন্দিতা সামন্তর অভিযোগ, সম্প্রতি তিনি ছেলের চিকিৎসার জন্য ছুটি মঞ্জুর ও কিছু আর্থিক সাহায্যের আবেদন নিয়ে বিডিও-র দ্বারস্থ হলে, বিডিও তাঁদের সঙ্গে অত্যন্ত কদর্য আচরণ ও চরম অপমান করেন। অনুভাষবাবু জানান, তাঁর অসুস্থতার কথা জানতে পেরে ইতিপূর্বে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও তাঁদের আর্থিক সাহায্য করেছিলেন। তবে বিডিও জিষ্ণু দে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, ছুটি বা বেতন মঞ্জুরের বিষয়টি তাঁর এক্তিয়ারভুক্ত নয় এবং কিছু প্রশাসনিক জটিলতার কারণেই তিনি বেতনের বিষয়ে অসম্মতি জানান। তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামীর পরিবারের প্রতি কোনো অসম্মানজনক মন্তব্য করেননি বলেও উল্লেখ করেন।

 

এই ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসতেই সরব হয়েছেন রাজনৈতিক নেতৃত্ব। সোমবার এগরার বিধায়ক দিব্যেন্দু অধিকারী মহিষাদলে এসে সতীশচন্দ্র সামন্তর মূর্তিতে মাল্যদান করেন এবং পীড়িত পরিবারের সঙ্গে দেখা করে পাশে থাকার আশ্বাস দেন। তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, দেশের জন্য সতীশচন্দ্র সামন্তর আত্মত্যাগ চিরস্মরণীয়। তাঁর পরিবারের সঙ্গে এমন অসংবেদনশীল আচরণ অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। একজন উচ্চপদস্থ সরকারি আধিকারিকের এমন আচরণের বিরুদ্ধে স্থানীয় স্তরে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।


 

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর