ব্রেকিং
  • Home /
  • কলকাতা /
  • আদি বিজেপি-তেই ভরসা, বাংলা থেকে রাজ্যসভার প্রার্থী রাহুল সিনহা, বিহার থেকে পাঠাচ্ছে মোদির বসকে

আদি বিজেপি-তেই ভরসা, বাংলা থেকে রাজ্যসভার প্রার্থী রাহুল সিনহা, বিহার থেকে পাঠাচ্ছে মোদির বসকে

নয়া জামানা ডেস্ক : রাজ্যসভার নির্বাচনে ‘আদি’ বিজেপি নেতৃত্বকেই অগ্রাধিকার দিল দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। মঙ্গলবার বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ছয়টি রাজ্যের মোট নয়টি আসনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সেই তালিকায় পশ্চিমবঙ্গ থেকে একক প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করা....

আদি বিজেপি-তেই ভরসা, বাংলা থেকে রাজ্যসভার প্রার্থী রাহুল সিনহা, বিহার থেকে পাঠাচ্ছে মোদির বসকে

নয়া জামানা ডেস্ক : রাজ্যসভার নির্বাচনে ‘আদি’ বিজেপি নেতৃত্বকেই অগ্রাধিকার দিল দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। মঙ্গলবার বিজেপি....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা ডেস্ক : রাজ্যসভার নির্বাচনে ‘আদি’ বিজেপি নেতৃত্বকেই অগ্রাধিকার দিল দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। মঙ্গলবার বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ছয়টি রাজ্যের মোট নয়টি আসনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সেই তালিকায় পশ্চিমবঙ্গ থেকে একক প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয়েছে দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহার। এর পাশাপাশি বিহার থেকে প্রার্থী করা হয়েছে বিজেপির নবনিযুক্ত সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনকে। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে একাধিকবার নির্বাচনী লড়াইয়ে অবতীর্ণ হলেও জয়ের স্বাদ পাননি রাহুল। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়ে এই প্রথমবার সংসদের উচ্চকক্ষে জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রবেশ করতে চলেছেন তিনি।বিজেপি সূত্রে খবর, এ রাজ্য থেকে কাকে রাজ্যসভার প্রার্থী করা হবে, তা নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই দফায় দফায় বৈঠক চলছিল। আলোচনায় উঠে এসেছিল অন্তত ৯টি নাম। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে রাজ্য নেতৃত্বের পছন্দ, আরএসএসের মতামত এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সবুজ সংকেত— এই তিনটি বিষয়কে মাথায় রেখেই রাহুলের নাম স্থির করা হয়েছে। এর আগে দিল্লির পছন্দে নগেন্দ্র রায় ওরফে অনন্ত মহারাজকে রাজ্যসভায় পাঠিয়ে গেরুয়া শিবিরকে প্রবল বিড়ম্বনার মুখে পড়তে হয়েছিল। কখনও পৃথক রাজ্যের দাবি তোলা, আবার কখনও তৃণমূলের মঞ্চে উপস্থিতি— অনন্ত মহারাজের এই কর্মকাণ্ডে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যথেষ্ট অস্বস্তিতে ছিল। সেই তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকেই এবার পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির মতামতকে বিশেষ প্রাধান্য দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল দিল্লি।রাহুল সিনহা বিজেপির দীর্ঘদিনের লড়াকু মুখ। রাজ্য সভাপতির পদ ছাড়ার পর তিনি জাতীয় সম্পাদক হয়েছিলেন। তবে অনুপম হাজরাকে সেই পদে আনার পর রাহুলকে পদচ্যুত করা হলে তিনি প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন। তা সত্ত্বেও দল ছাড়েননি এই পোড়খাওয়া নেতা। সম্প্রতি শমীক ভট্টাচার্য রাজ্য সভাপতি হওয়ার পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গের সংগঠনে রাহুলের গুরুত্ব বাড়তে থাকে। বিশেষত ‘পরিবর্তন সংকল্প যাত্রা’র মতো গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে তাকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে প্রধান বক্তা হিসেবে পাঠিয়েছে দল। এবার রাজ্যসভার টিকিট দিয়ে মূলত তাঁর সেই ধৈর্য ও আনুগত্যেরই পুরস্কার দিল বিজেপি হাইকম্যান্ড।
প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণার পর রাহুল সিনহা তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “হোলি মানে অশুভের পতন এবং শুভের সূচনা। আজ আমাদের দলের কর্মকর্তাদের কাছে এই বার্তা গেল যে দল সকলের ওপর নজর রাখছে। দল কাউকে ভোলেনি।” তিনি আরও যোগ করেন, অনেক সময় অনেকে নিজেকে বঞ্চিত মনে করতে পারেন, কিন্তু দল জানে কাকে কখন কোন দায়িত্ব দিতে হবে। রাজ্য বিধানসভা ভোটে বিজেপি জিতবেই— এই জোরালো দাবি নিয়ে তিনি বলেন, সংসদে নরেন্দ্র মোদী সরকারের অভাবনীয় কাজগুলো তিনি যোগ্যভাবে তুলে ধরবেন।পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি বিহারের দুটি আসনের জন্যও প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিজেপি। সেখানে অন্যতম নাম নিতিন নবীন, যিনি গত জানুয়ারি মাসে দলের সর্বভারতীয় সভাপতির দায়িত্ব নিয়েছেন। বর্তমানে বিধায়ক হলেও সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে তাঁর দিল্লিতেই বেশি সময় অতিবাহিত হয়। তাই বিহার বিধানসভার চেয়ে দেশের সর্বোচ্চ আইনসভায় থাকা তাঁর পদের জন্য অধিক সঙ্গত মনে করেছে নেতৃত্ব। বিহার থেকে দ্বিতীয় প্রার্থী হয়েছেন শিবেশ কুমার। এছাড়া অসম থেকে তেরশ গোয়ালা ও যোগেন মোহন, ওড়িশা থেকে মনমোহন সামল ও সুজিত কুমার এবং হরিয়ানা ও ছত্তীসগঢ় থেকে যথাক্রমে সঞ্জয় ভাটিয়া ও লক্ষ্মী বর্মাকে প্রার্থী করা হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার বিন্যাস অনুযায়ী পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটি তৃণমূলের এবং একটি বিজেপির পাওয়ার কথা। তৃণমূল ইতিমধ্যেই তাদের চার প্রার্থীর নাম জানিয়ে দিয়েছে। বিজেপি কেবল একজনের নাম ঘোষণা করায় রাহুলের জয় এখন স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর