ব্রেকিং
[pj-news-ticker]
  • Home /
  • বিদেশ /
  • শিকেয় মক্কা চুক্তি! হাউথি হামলায় সৌদিকে একা ফেলে পালাল পাকিস্তান

শিকেয় মক্কা চুক্তি! হাউথি হামলায় সৌদিকে একা ফেলে পালাল পাকিস্তান

নয়া জামানা:ফের বিশ্বমঞ্চে পাকিস্তানের ধরি মাছ না ছুঁই পানী কূটনীতির ছবি সামনে এল। মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী সৌদি আরব আক্রান্ত হলে পাকিস্তানের সামরিক সহায়তা দেওয়ার কথা থাকলেও সাম্প্রতিক হাউথি হামলার পর ইসলামাবাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি সামাল....

শিকেয় মক্কা চুক্তি! হাউথি হামলায় সৌদিকে একা ফেলে পালাল পাকিস্তান

নয়া জামানা:ফের বিশ্বমঞ্চে পাকিস্তানের ধরি মাছ না ছুঁই পানী কূটনীতির ছবি সামনে এল। মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা:ফের বিশ্বমঞ্চে পাকিস্তানের ধরি মাছ না ছুঁই পানী কূটনীতির ছবি সামনে এল। মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী সৌদি আরব আক্রান্ত হলে পাকিস্তানের সামরিক সহায়তা দেওয়ার কথা থাকলেও সাম্প্রতিক হাউথি হামলার পর ইসলামাবাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি সামাল দিতে সৌদির সাধারণ নাগরিক ও পরিকাঠামোর উপর হাউথি হামলার নিন্দা করলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক অঙ্গীকার করেছিল, কোনও একটি দেশের উপর হামলা হলে তা অন্য সদস্যদের উপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফও জানিয়েছিলেন, সৌদি আরবের উপর হাউথি হামলা অব্যাহত থাকলে চুক্তি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে ইসলামাবাদ। কিন্তু পরে পাকিস্তান স্পষ্ট করে, চুক্তির অর্থ হাউথিদের বিরুদ্ধে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সামরিক পদক্ষেপ করা নয়।ইসলামাবাদের এই অবস্থান সৌদি নেতৃত্বের কাছে অস্বস্তিকর হয়ে উঠেছে বলে মনে করা হচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে শাহবাজ সৌদি নেতৃত্ব ও জনগণের প্রতি পাকিস্তানের পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, হাউথি হামলা আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি এবং এর ফলে বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, আর্থিক ও জ্বালানি সহায়তার জন্য পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই সৌদির উপর নির্ভরশীল। ফলে কঠিন সময়ে রিয়াদের পাশে দাঁড়ানো নিয়ে ইসলামাবাদের দ্বিধা তাদের কূটনৈতিক অবস্থানকেই প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।এদিকে ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হাউথি বাহিনী ও সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনীর সংঘাত তীব্র হয়েছে। হাউথিরা মোখা বন্দর ও বাব আল-মান্দেবের কাছে একটি দ্বীপ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। এর প্রভাব পাকিস্তানের উপরও পড়তে পারে। বিশেষ করে বাব আল-মান্দেব দিয়ে এশিয়া, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যে পণ্য ও জ্বালানি পরিবহনের বড় অংশ হয়। সেখানে অস্থিরতা বাড়লে জাহাজ চলাচলের খরচ, বীমা ব্যয় এবং আমদানি নির্ভর দেশগুলির পণ্যমূল্যও বাড়তে পারে। ফলে চাপ বাড়বে পাকিস্তানের অর্থনীতিতেও।


ভারত-ইজরায়েল মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি, শীঘ্রই চালু হচ্ছে ইউপিআই পরিষেবা

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর