নয়া জামানা ডেস্ক : পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ‘ঐতিহাসিক জয়’ নিয়ে নিশ্চিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বুধবার উত্তরপ্রদেশের হরদইয়ে গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান থেকে তিনি স্পষ্ট দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গ-সহ পাঁচ রাজ্যেই গেরুয়া শিবির জয়ের হ্যাটট্রিক করতে চলেছে। বিহার ও গুজরাতের সাম্প্রতিক সাফল্যের পরিসংখ্যান টেনে বিরোধীদের কড়া বার্তা দিয়েছেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় দফার ভোট চলাকালীন মোদীর এই মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এদিন বাংলার ভোট পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ সন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁর দাবি, দীর্ঘ কয়েক দশক পর রাজ্যে ‘ভয়মুক্ত পরিবেশে’ ভোট হচ্ছে। ভোটারদের দীর্ঘ লাইন গণতন্ত্রের এক নতুন ছবি তুলে ধরছে বলে মনে করেন তিনি। মোদী বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে বিপুল ভোটদানের খবর আসছে। প্রথম দফার মতোই বহু সংখ্যক জনতা ভোটদানের জন্য বাড়ি থেকে বেরোচ্ছেন। লম্বা লম্বা লাইনের ছবি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে। গত ছয়-সাত দশকে যা হয়নি, যা কল্পনাও করা যেত না— এ বার সেটাই হচ্ছে। ভয়মুক্ত বাতাবরণে পশ্চিমবঙ্গে ভোট হচ্ছে। সাধারণ মানুষ ভয়মুক্ত হয়ে ভোট দিচ্ছেন।’ বাংলার মানুষের গণতান্ত্রিক সচেতনতাকে কুর্নিশ জানিয়ে মোদী আরও বলেন, ‘এটাই দেশের সংবিধান এবং দেশের মজবুত গণতন্ত্রের পুণ্য প্রতীক।’ তিনি ভোটারদের কাছে আবেদন জানান যাতে তাঁরা এভাবেই উৎসাহের সঙ্গে বুথে আসেন। তাঁর কথায়, ‘আমি পশ্চিমবঙ্গের মহান জনতার প্রতি কৃতজ্ঞ। তাঁরা নিজেদের অধিকার নিয়ে এত সজাগ। তাঁরা বিপুল সংখ্যায় ভোটদান করছেন।’ নিজের আত্মবিশ্বাসের সপক্ষে বিহার বিধানসভা এবং গুজরাতের পুরভোটের ফলাফলের তুলনা টেনেছেন মোদী। তাঁর দাবি, দেশজুড়ে বিজেপির পক্ষে যে হাওয়া বইছে, তা ৪ মে-র ফলাফলে আরও স্পষ্ট হবে। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, ‘বিহারের ভোটে বিজেপি-এনডিএ বিপুল জয় পেয়েছে। ইতিহাস রচনা করেছে। গতকালই গুজরাতে মহানগরপালিকা, নগরপালিকা, জেলাপঞ্চায়েত, নগরপঞ্চায়েতের ভোটের ফল এসেছে। ৮০-৮৫ শতাংশ নগরপালিকা এবং পঞ্চায়েত বিজেপি জিতে নিয়েছে। আমার বিশ্বাস, পাঁচ রাজ্যের ভোটে ঐতিহাসিক জয়ের হ্যাট্ট্রিক করবে বিজেপি। ৪ মে-র ফলাফল বিকশিত ভারতের সংকল্পকে মজবুত করবে।’ দেশের পরিকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে এই জয় অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করেন তিনি। ছবি পিটিআই।
‘ফর্ম-৬’ দিয়ে ভিন রাজ্যের ভোটার ঢুকছে, বিজেপিকে বিঁধে জ্ঞানেশকে চিঠি মমতার