উমার ফারুক,নয়া জামানা, মালদা: নিখিল বঙ্গ শিক্ষক সমিতি মালদা জেলা শাখার উদ্যোগে বুধবার শিক্ষা ও পেশাগত সমস্যা বিষয়ে মালদা জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকের (মাধ্যমিক)কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। শিক্ষা এবং শিক্ষক-শিক্ষিকা-শিক্ষাকর্মীদের পেশাগত বিষয়ে এদিন স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এই প্রসঙ্গে সমিতির মালদা জেলা সম্পাদক অরুণ কুমার প্রসাদ জানান, এদিন সাত দফা দাবিতে সমিতির ডেপুটেশন কর্মসূচি পালন করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য দাবি হল, প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক স্তরের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ক্ষেত্রে টেট পরীক্ষার বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি প্রদানের লক্ষ্যে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে অনতিবিলম্বে প্রয়োজনীয় অধ্যাদেশ জারির করা।জেলার বহু বিদ্যালয়ে একাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের জন্য নির্ধারিত পাঠ্যপুস্তক এখনও সরবরাহ করা হয়নি। জেলার সকল বিদ্যালয়ে একাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের জন্য নির্ধারিত পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।এসএমএস পোর্টালের সার্ভারজনিত ত্রুটির কারণে বিদ্যালয়গুলির পক্ষে ছাত্রছাত্রীদের নম্বরসহ বিভিন্ন তথ্য আপলোড করতে গুরুতর সমস্যা হচ্ছে, তা দ্রুত সমাধান করা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা ও সংশ্লিষ্ট রায়ের প্রেক্ষিতে সরকারি কর্মচারীরা বকেয়া ২৫ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা প্রাপ্ত হলেও সরকার-পোষিত বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং শিক্ষাকর্মীরা এখনও সেই সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। তাঁদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা অবিলম্বে প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীদের জন্য কেন্দ্রীয় হারে মহার্ঘ ভাতা প্রদান করতে হবে। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের ফর্ম-১৬ এখনও বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় সরবরাহ করা হয়নি।অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানগুলিকে অতি দ্রুত তা সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষক -শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীদের ডাব্লুবিএইচএস-র আওতায় অন্তর্ভূক্ত করতে হবে। এদিন উক্ত ডেপুটেশন কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন জেলা সম্পাদক অরুণ কুমার প্রসাদ , জেলা কোষাধ্যক্ষ দেবাংশু দাস ,সহ সম্পাদক মনোজ সরকার , সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য মিসবাহুল আলম ,মহিদুর রহমান খান,তারিক ইকবাল সহ জেলা ও মহকুমার নেতৃবৃন্দ।
আরও পড়ুন:
দ্বিতীয় দফা শুরুর আগেই ঝরল রক্ত, চাপড়ায় বিজেপি এজেন্টের মাথা ফাটানোর অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে!