• Home /
  • দেশ /
  • সংখ্যাগরিষ্ঠতার জটে আটকে, থলপতি বিজয়ের সরকার গঠন

সংখ্যাগরিষ্ঠতার জটে আটকে, থলপতি বিজয়ের সরকার গঠন

নয়া জামানা ডেস্ক : তামিলভূমে ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ে নাটকীয় মোড়। বুধবার রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকারের সঙ্গে দেখা করে সরকার গড়ার দাবি জানালেন ‘তামিলাগা ভেট্টি কাজগম’ (টিভিকে) প্রধান থলপতি বিজয়। তবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রাজভবন এখনই নিশ্চিত নয়। প্রয়োজনীয় বিধায়ক সংখ্যা নিয়ে....

সংখ্যাগরিষ্ঠতার জটে আটকে, থলপতি বিজয়ের সরকার গঠন

নয়া জামানা ডেস্ক : তামিলভূমে ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ে নাটকীয় মোড়। বুধবার রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকারের সঙ্গে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা ডেস্ক : তামিলভূমে ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ে নাটকীয় মোড়। বুধবার রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকারের সঙ্গে দেখা করে সরকার গড়ার দাবি জানালেন ‘তামিলাগা ভেট্টি কাজগম’ (টিভিকে) প্রধান থলপতি বিজয়। তবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রাজভবন এখনই নিশ্চিত নয়। প্রয়োজনীয় বিধায়ক সংখ্যা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল। ফলে দক্ষিণের এই রাজ্যে সরকার গঠন নিয়ে জট অব্যাহত। উল্টোদিকে, বিজয়কে প্রকাশ্যেই সমর্থনের বার্তা দিয়েছে কংগ্রেস। বুধবার চেন্নাইয়ে টিভিকে-র সদর দফতরে গিয়ে বিজয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন কংগ্রেস নেতৃত্ব। তাঁরা থলপতির দলকে পূর্ণ সমর্থনের কথা জানিয়েছেন। তবে কংগ্রেস পাশে থাকলেও বিজয়ের হাতে পর্যাপ্ত সংখ্যা নেই। তামিলনাড়ুতে একক বৃহত্তম দল হিসেবে ১০৮টি আসনে জিতেছে টিভিকে। সরকার গড়তে প্রয়োজন ১১৮টি আসন। কংগ্রেসের বিধায়কদের নিয়ে বিজয়ের ঝুলিতে বর্তমানে রয়েছে ১১৩ জন। অর্থাৎ, সরকার টিকিয়ে রাখতে গেলে এখনও পাঁচ জন বিধায়কের সমর্থন দরকার তাঁর। এই পরিস্থিতিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণে সিপিআই, সিপিএম এবং ভিসিকে-র মতো দলগুলির সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছে টিভিকে শিবির। বাম ও ভিসিকে-র সমর্থন পেলে বিধায়ক সংখ্যা দাঁড়াবে ১১৯। যা ম্যাজিক ফিগারের চেয়ে একটি বেশি। তবে রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিজয়ের দলের গরিষ্ঠতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। বিধানসভায় খুব দ্রুত এই সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে হবে টিভিকে-কে। এদিকে বিজয়ের সঙ্গে কংগ্রেস হাত মেলানোয় চরম ক্ষুব্ধ ডিএমকে। কংগ্রেসকে সরাসরি ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলে দাগিয়ে দিয়েছেন ডিএমকে মুখপাত্র সারাভানন আন্নাদুরাই। পরিস্থিতি সামলাতে আসরে নেমেছে কংগ্রেসও। তাদের দাবি, এই জোট স্রেফ আঞ্চলিক স্তরে। জাতীয় রাজনীতিতে ডিএমকে এবং কংগ্রেস আগের মতোই ‘ইন্ডিয়া’ মঞ্চের শরিক। আপাতত দিল্লির দিকে তাকিয়ে তামিল রাজনীতি। বিজয়ের রাজনৈতিক অভিষেক ঘিরে সরগরম দাক্ষিণাত্য। শেষ পর্যন্ত রাজ্যপাল সরকার গঠনে বিজয়কে ডাকেন কি না, এখন সেটাই বড় প্রশ্ন। ছবি সংগৃহিত।


এক আধারে দুই জীবন আটকে! প্রশাসনিক ভুলে দশ বছর ধরে বঞ্চিত দুই বোন

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর