• Home /
  • মহানগর /
  • পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তলব এড়ালেন রথীন-সুজিত

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তলব এড়ালেন রথীন-সুজিত

নয়া জামানা, কলকাতা : পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তলব সাময়িকভাবে এড়ালেন রাজ্যের দুই বিদায়ী মন্ত্রী সুজিত বসু ও রথীন ঘোষ। বুধবার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরার কথা থাকলেও ব্যক্তিগত এবং রাজনৈতিক কারণ দর্শিয়ে ইডি দফতরে যাননি তাঁরা। ইডি সূত্রে খবর,....

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তলব এড়ালেন রথীন-সুজিত

নয়া জামানা, কলকাতা : পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তলব সাময়িকভাবে এড়ালেন রাজ্যের দুই বিদায়ী....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা, কলকাতা : পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তলব সাময়িকভাবে এড়ালেন রাজ্যের দুই বিদায়ী মন্ত্রী সুজিত বসু ও রথীন ঘোষ। বুধবার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরার কথা থাকলেও ব্যক্তিগত এবং রাজনৈতিক কারণ দর্শিয়ে ইডি দফতরে যাননি তাঁরা। ইডি সূত্রে খবর, তাঁদের ফের নোটিস পাঠিয়ে নতুন দিনক্ষণ জানানো হবে।
রথীন ঘোষের ক্ষেত্রে শারীরিক অসুস্থতা বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তদন্তকারী সংস্থাকে চিঠি দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, শৌচাগারে পড়ে গিয়ে পায়ে গুরুতর চোট পেয়েছেন তিনি। চিকিৎসক তাঁকে আগামী দশ দিন সম্পূর্ণ বিশ্রামের পরামর্শ দিয়েছেন। ফলে এই মুহূর্তে তাঁর পক্ষে সশরীরে হাজিরা দেওয়া অসম্ভব। মধ্যমগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী রথীন এ বার তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যে মাত্র ২৩৯৯ ভোটে জয়ী হয়েছেন। এর আগে ২০২৩ সালের অক্টোবরেও তাঁর বাড়িতে তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়েছিল ইডি। অন্যদিকে, ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতির দোহাই দিয়েছেন সুজিত বসু। তাঁর দাবি, বর্তমানে উত্তর ২৪ পরগনা সহ বিভিন্ন এলাকায় তৃণমূল কর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন। সেই সমস্ত কর্মীদের পাশে দাঁড়ানো এবং এলাকায় শান্তি বজায় রাখার কাজে তিনি প্রবল ব্যস্ত। এই কারণ দেখিয়েই ইডির কাছে সময় চেয়েছেন তিনি। ইতিপূর্বে উচ্চ আদালতের নির্দেশে ১ মে ইডি দফতরে গিয়ে প্রায় ৯ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়েছিলেন সুজিত। সে দিন বেরিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি সাক্ষী হিসাবে এসেছিলাম। ব্যবসা করা কখনও কোনও অপরাধ নয়। চুরি করাটা অপরাধ।’ পুরনিয়োগ মামলায় দুই হেভিওয়েট নেতার হাজিরা নিয়ে বুধবার সকাল থেকেই পারদ চড়ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে দুই ‘প্রাক্তন’ মন্ত্রীর পাঠানো চিঠিতে তদন্ত প্রক্রিয়া আপাতত থমকে গেল। ইডি এখন এই দুই নেতার দেওয়া যুক্তি খতিয়ে দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তদন্তে সহযোগিতার আশ্বাস দিলেও বারংবার এই হাজিরা এড়ানো নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।


কলকাতা-হাওড়া ভোট কি একসঙ্গেই? এখন শুধু রাজ্যপালের সইয়ের অপেক্ষা

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর