• Home /
  • দেশ /
  • বঙ্গেও চালুর পথে পিএম শ্রী

বঙ্গেও চালুর পথে পিএম শ্রী

নয়া জামানা ডেস্ক : পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুর স্কুলপড়ুয়াদের জন্য সুখবর। দীর্ঘ টালবাহানার পর এই দুই রাজ্যে অবশেষে চালু হতে চলেছে কেন্দ্রীয় প্রকল্প ‘পিএম শ্রী’ (প্রধানমন্ত্রী স্কুলস ফর রাইজিং ইন্ডিয়া)। শিক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, প্রকল্প রূপায়ণের লক্ষে শীঘ্রই দুই রাজ্যের মুখ্যসচিবকে....

বঙ্গেও চালুর পথে পিএম শ্রী

নয়া জামানা ডেস্ক : পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুর স্কুলপড়ুয়াদের জন্য সুখবর। দীর্ঘ টালবাহানার পর এই দুই রাজ্যে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা ডেস্ক : পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুর স্কুলপড়ুয়াদের জন্য সুখবর। দীর্ঘ টালবাহানার পর এই দুই রাজ্যে অবশেষে চালু হতে চলেছে কেন্দ্রীয় প্রকল্প ‘পিএম শ্রী’ (প্রধানমন্ত্রী স্কুলস ফর রাইজিং ইন্ডিয়া)। শিক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, প্রকল্প রূপায়ণের লক্ষে শীঘ্রই দুই রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠিয়ে মৌ স্বাক্ষরের অনুরোধ জানানো হচ্ছে। কেন্দ্রে বিজেপি সরকারের আশা, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের ফলে এবার আর এই জাতীয় শিক্ষানীতি নির্ভর প্রকল্প থমকে থাকবে না। এতদিন পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল সরকার এবং তামিলনাড়ুর ডিএমকে সরকার এই প্রকল্পে সায় দেয়নি। কেন্দ্রের শর্ত ছিল, মৌ স্বাক্ষর না করলে মিলবে না প্রকল্পের অনুদান। এই সংঘাতের জেরে ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ‘সমগ্র শিক্ষা’ অভিযানের টাকাও পায়নি রাজ্যগুলি। কেন্দ্রের দাবি ছিল, এর মাধ্যমে দেশজুড়ে ১৪ হাজার ৫০০টি সরকারি স্কুলকে ‘মডেল স্কুল’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে। কিন্তু তৎকালীন রাজ্য সরকারগুলির অভিযোগ ছিল, অনুদানের টোপ দিয়ে আসলে জোর করে জাতীয় শিক্ষানীতি বা এনইপি চাপাতে চাইছে মোদী সরকার। বর্তমানে বাংলায় রাজনৈতিক পালাবদল ঘটেছে। ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। অন্যদিকে তামিলনাড়ুতে বিজয় অভিনীত দল টিভিকে একক বৃহত্তম শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের এক আধিকারিক জানান, ‘ওই দুই রাজ্য এ বার পিএম শ্রী প্রকল্প কার্যকর করবে বলে আশাবাদী কেন্দ্রীয় সরকার। দ্রুত কার্যকর করার জন্য মুখ্যসচিবদের চিঠি দেওয়া হবে।’ বাংলার নতুন সরকারকে ‘উল্লাস’ প্রকল্প নিয়েও প্রস্তাব দেওয়া হবে, যা মূলত প্রাপ্তবয়স্কদের শিক্ষার প্রসারে কাজ করে। কেরল নিয়েও আশাবাদী দিল্লি। পিনারাই বিজয়ন সরকার গত বছর মৌ স্বাক্ষর করেও পরে তা স্থগিত করে দিয়েছিল। দিল্লি ও পঞ্জাবও একই পথে হেঁটেছিল। তবে বাংলার ক্ষেত্রে আর কোনও বাধা নেই বলেই মনে করছে শিক্ষা মন্ত্রক। মূলত সরকারি স্কুলগুলির ভোলবদল এবং আধুনিক পরিকাঠামো তৈরির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ। এখন দেখার, মুখ্যসচিবদের কাছে কেন্দ্রের এই চিঠি পৌঁছনোর পর দুই রাজ্যের প্রশাসনিক স্তরে কত দ্রুত ফাইল নড়ে।


জনসাধারণের প্রকল্প নিয়ে রাজনীতি নয়, চিংড়িঘাটা মেট্রো জটে ‘সুপ্রিম’ ধমক রাজ্যকে

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর