নয়া জামানা:নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে বড়সড় মোড়। প্রথমে জোড়াফুল প্রতীক ও পুরনো দলের নাম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা, তার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে-র মনোনয়ন প্রত্যাহার। শুক্রবার হলদিয়া মহকুমা শাসকের দফতরে গিয়ে প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করেন পেশায় শিক্ষিকা সঞ্চিতা।
ফলে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে মমতা-শিবিরের আর কোনও প্রার্থী থাকলেন না।বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্তে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নাম এবং জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। শুক্রবার কমিশন মমতা-নেতৃত্বাধীন শিবিরের জন্য মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস নাম এবং ফুটবল খেলোয়াড় প্রতীক নির্ধারণ করে। এই সিদ্ধান্তের পরই নন্দীগ্রামের প্রার্থী সঞ্চিতার মনোনয়ন প্রত্যাহারের খবর সামনে আসে।সঞ্চিতাকে প্রার্থী করা নিয়ে শুরু থেকেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা ছিল। প্রথমে প্রাক্তন বিধায়ক অখিল গিরির নাম নিয়ে জল্পনা থাকলেও পরে স্থানীয় শিক্ষিকা সঞ্চিতা প্রধান দে-কে প্রার্থী করে মমতা-শিবির। তিনি দীর্ঘদিন আদি তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই প্রচারে তাঁর সক্রিয়তা দেখা যায়নি। ১৭ সেপ্টেম্বর তিনি নন্দীগ্রাম থেকে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন।প্রতীক নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যেই বৃহস্পতিবার রাতে ময়দানের পিডব্লুডি টেন্টে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সঞ্চিতার বৈঠক হয় বলে দলীয় সূত্রে দাবি।শুক্রবার প্রতীক সংক্রান্ত কমিশনের সিদ্ধান্তের পর স্বামী সত্যজিৎ প্রধানকে সঙ্গে নিয়ে নবান্নে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেন সঞ্চিতা। এর কিছু পরেই হলদিয়ায় ফিরে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন তিনি।কেন আচমকা ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ালেন, সে বিষয়ে এখনও প্রকাশ্যে কোনও কারণ জানাননি সঞ্চিতা।