নয়া জামানা:আজ থেকে ১০ বছর আগেও যাঁরা নিয়মিত ক্রিকেট দেখতেন, তাঁদের অনেকেরই স্মৃতিতে রয়ে গিয়েছেন এক আম্পায়ার, যিনি বিখ্যাত ছিলেন হাস্যাত্মক ক্রিকেটীয় অঙ্গভঙ্গির জন্য। আউট হোক বা ছয়, প্রতিটি সিগন্যালই নিজের মতো করে দিতেন তিনি। ফলে ক্রিকেট দুনিয়ায় তৈরি হয়েছিল তাঁর বিশেষ পরিচিতি। তিনি আম্পায়ার বিলি বাওডেন, যিনি আন্তর্জাতিক ও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বহুদিন।নিউজিল্যান্ডের তাওরাঙ্গায় ছোটবেলা থেকেই ক্রিকেটের প্রতি ভালবাসা জন্মায় বিলির। ১৩ বছর বয়সে বাবার বদলির চাকরির কারণে অকল্যান্ডে চলে যান। ১৯৮৪ সালে ল্যাঙ্কাশায়ার লিগ খেলার পর দেশে ফিরে অকল্যান্ড বি ও অকল্যান্ড এ দলের হয়ে খেলেন। তবে রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস ধরা পড়ায় ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন অধরাই থেকে যায়।১৯৮৫ সালে সংবাদপত্রে আম্পায়ার পদের বিজ্ঞাপন দেখে আবেদন করেন এবং আগের অভিজ্ঞতার সুবাদে সুযোগ পান। ১৯৯৫ সালে নিউজিল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক আম্পায়ারিংয়ে হাতেখড়ি হয়। ২০০০ সালে প্রথম টেস্ট আম্পায়ারিং করেন। তাঁর মতে, ২০০৫ সালের অ্যাশেজে এজবাস্টন টেস্ট, যেখানে ইংল্যান্ড মাত্র ২ রানে জেতে, তাঁর কেরিয়ারের অন্যতম স্মরণীয় ম্যাচ। প্রায় তিন দশকে ৪০০-র বেশি আন্তর্জাতিক ও বহু আইপিএল ম্যাচ পরিচালনা করেছেন তিনি। তাঁর অঙ্গভঙ্গির পিছনে রয়েছে হকি আম্পায়ারিংয়ের অভিজ্ঞতা।বর্তমানে চ্যারিটি ম্যাচে আম্পায়ারিং করেন বিলি, পাশাপাশি তরুণ আম্পায়ারদের কোচ ও মেন্টর হিসেবে কাজ করছেন। ক্রিকেটের বাইরে বাঁকা আঙুল নামে টুপি ও বাকেট হ্যাটের ব্র্যান্ড চালু করেছেন, যেখানে তাঁর সেই বিখ্যাত বেঁকানো আঙুলই লোগো হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
এ বার ক্রিকেটের মানচিত্রে আন্দামান, বিসিসিআইয়ের সভায় সদস্যপদ নিয়ে আলোচনা