নয়া জামানা:পশ্চিমবঙ্গ সরকার পর্যটনকে শিল্প নীতির আওতাভুক্ত করতে চলেছে। লাটাগুড়ি থেকে এই সংক্রান্ত যাবতীয় প্রক্রিয়া পুজোর আগেই সম্পূর্ণ হবে বলে শনিবার ঘোষণা করেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ। এই ঘোষণার পরই পর্যটন ব্যবসায়ীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে উৎসাহ।বিশেষজ্ঞদের মতে, শিল্প নীতির আওতায় এলে জমি হস্তান্তর, সরকারি সহায়তা এবং ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ পাওয়ার প্রক্রিয়া অনেকটাই সহজ হবে।আন্তর্জাতিক পর্যটন দিবস উপলক্ষে ফেডারেশন অফ বেঙ্গল হোটেলিয়ার্স এবং লাটাগুড়ি রিসোর্ট ওনার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে লাটাগুড়িতে আয়োজিত হয় একটি বিশাল ম্যারাথন দৌড়। অনুষ্ঠানে মন্ত্রী জানান, উত্তরবঙ্গের পর্যটনের সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে সরকার কাজ করছে এবং স্যাটেলাইট ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে অরণ্য ও তৃণভূমি সংরক্ষণের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ জয়ন্ত রায়, বিধায়ক শুক্রা মুণ্ডা, রাজ্য বিজেপির সম্পাদক বাপি গোস্বামী, জেলা সভাপতি শ্যামল চন্দ্র রায়সহ সংগঠনের রাজ্য ও জেলা প্রতিনিধিরা। প্রশাসনের তরফে ছিলেন মহকুমা শাসক উৎকর্ষ খাণ্ডাল ও বিডিও রেমিল সোরেন। ম্যারাথনের পাশাপাশি দু’দিন ধরে পর্যটকদের জন্য বিনামূল্যে অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টসের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে, যেখানে বারুটি অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টসের শো-কেস করা হয়েছে।মন্ত্রী আরও জানান, কর্মসংস্থান ও রাজস্ব বৃদ্ধিতে পর্যটনকে কাজে লাগানো হবে, তবে অনিয়ন্ত্রিতভাবে বৃদ্ধি হতে দেওয়া হবে না। সম্প্রতি ঘোষিত ইকো সেনসিটিভ জোনকে সরকারের সাফল্য বলেও দাবি করেন তিনি। লাটাগুড়ির রিসর্টগুলির জমি সংক্রান্ত নথিতে গরমিল প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, দুর্নীতিতে যুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তবে সরকারের মূল লক্ষ্য উন্নয়নমূলক কাজ। সংগঠনের সহসভাপতি উজ্জ্বল ঘোষ জানান, আগামী ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর শিলিগুড়িতে ফের এই ধরনের অনুষ্ঠান হবে।