নয়া জামানা:ক্যামাক স্ট্রিট বিতর্ক এবার সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়িয়েছে। এদিকে পুরসভা ও দমকলের তরফে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিস খালি করার নির্দেশ দিয়ে একের পর এক নোটিস পাঠানো হচ্ছে। বিলবোর্ড অপসারণকে কেন্দ্র করে পুরসভা ও পুলিশকে হেনস্তার অভিযোগে ইতিমধ্যেই ডেরেক ও’ব্রায়েন এবং বৈশ্বানরকে নোটিস পাঠানো হয়েছিল। এবার একই ঘটনায় ডেবরার প্রাক্তন বিধায়ক তথা প্রাক্তন আইপিএস অফিসার হুমায়ুন কবীরকে নোটিস ধরাল পুলিশ।জানা গেছে, এর আগে দুবার নোটিস দিতে গিয়ে পুলিশকে খালি হাতে ফিরতে হয়েছিল হুমায়ুনের বাড়ি থেকে। রবিবার সকালে ফের তাঁর বাসভবনে যান পুলিশ আধিকারিকরা। দীর্ঘক্ষণ দরজায় ডাকাডাকির পর বাড়ির এক কর্মী বাইরে বেরিয়ে আসেন এবং তাঁর হাতেই নোটিস তুলে দেওয়া হয়। নোটিসে বলা হয়েছে, আগামী ৯ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টায় শেক্সপিয়র সরণি থানায় হাজিরা দিতে হবে হুমায়ুনকে। পুলিশ ফেরার সময় ওই কর্মী জানিয়ে দেন, নির্দিষ্ট দিনেই থানায় হাজির হবেন তিনি। ২৭ আগস্ট অভিষেকের অফিসের বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার বাধে।নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয়, কলার ধরে মারধরের অভিযোগও ওঠে, কয়েকজন পুলিশকর্মী সিঁড়িতে পড়ে যান এবং পুরকর্মীদেরও বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ডেরেক, বৈশ্বানর ও হুমায়ুনের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। মঙ্গলবারই একই মামলায় ডেরেককে ফের তলব করা হয়েছিল।ক্যামাক স্ট্রিটে তৃণমূলের পার্টি অফিস খালি করার নোটিসে কলকাতা সিটি সিভিল কোর্ট অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিলেও দমকলের নতুন নোটিসে জটিলতা বেড়েছে। বাড়ির মালিকের নোটিসের বিরুদ্ধে আদালতের স্থগিতাদেশ থাকলেও, দমকলের মতে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ভবনটি বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে, তাই নতুন শংসাপত্র না পাওয়া পর্যন্ত ওই অংশ ব্যবহার করা যাবে না।