নয়া জামানা,কলকাতা:বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর তৃণমূল কংগ্রেসের সাংগঠনিক কাঠামো কার্যত ভেঙে পড়েছে। দল ছেড়েছেন একের পর এক বিধায়ক ও সাংসদ। এই পরিস্থিতিতে নতুন জল্পনার জন্ম দিলেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। রবিবার তাঁর দাবি, দলত্যাগী অনেক বিধায়ক-সাংসদ এখনও তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।এদিন সাংবাদিক বৈঠকে কুণাল জানান, দলত্যাগীদের সকলে সমান নন। তাঁর কথায়, ৮-১০ জন বিধায়ক নানা ধরনের অনিয়ম ঢাকতে দল ছেড়েছেন, কেউ কেউ পুরনো মামলার আশঙ্কায়, আবার কাউকে ভিত্তিহীন মামলায় হয়রানির হুমকি দিয়ে সরানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।কেন যোগাযোগ রাখা নেতাদের এখনই প্রকাশ্যে আনা হচ্ছে না, তারও ব্যাখ্যা দেন কুণাল। তাঁর যুক্তি, পুলিশি নিরাপত্তা এখন তাঁদের হাতে না থাকায় প্রকাশ্যে এলে সংশ্লিষ্ট নেতাদের এলাকায় সমস্যা তৈরি হতে পারে, যার মোকাবিলা তৃণমূলের পক্ষে সম্ভব নয়। পাশাপাশি তিনি জানান, তাঁরা ওই দিকে থাকলে সংশ্লিষ্ট এলাকার খবরাখবর পেতে সুবিধা হচ্ছে দলের।তবে কিছু নির্দিষ্ট নেতাকে যে ফেরানো হবে না, তা স্পষ্ট করে দেন কুণাল। প্রাক্তন তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের বিখ্যাত গুড়-বাতাসা মন্তব্যের সুরে তিনি বলেন, নির্দিষ্ট ৫-৬ জন নেতা কালীঘাটের ত্রিসীমানায় গেলে কর্মী-সমর্থকদের আবেগ-এর মুখে পড়তে হবে তাঁদের।কুণালের এই মন্তব্যের কড়া জবাব দিয়েছেন ঋতব্রতপন্থী তৃণমূল বিধায়ক প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, বিতর্কিত মন্তব্য করে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেকে আলোচনায় রাখাই কুণালের অভ্যাস। উল্টে তাঁর দাবি, কুণালের ঘনিষ্ঠ অনেকেই তাঁদের শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।
বালাসনের প্রবল স্রোতে ভেসে গেল দুধিয়ার সেতু, বিচ্ছিন্ন শিলিগুড়ি-মিরিক যোগাযোগ