নয়া জামানা,মালদহ:নির্বাচনের পর এবার সংগঠন গোছানোর পালা।অভ্যন্তরীণ বিবাদ ভুলে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সামনে রেখে ঐক্যবদ্ধভাবে সংগঠন মজবুত করার বার্তা দিলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মালদহে তৃণমূলের সাংগঠনিক সভা থেকে তাঁর এই বার্তাকে ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা।
চাঁচলের একটি বেসরকারি লজে আয়োজিত এই সাংগঠনিক সভায় কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে জেলার সংগঠন নিয়ে নানা প্রশ্নের মধ্যেই এদিনের সভায় তৃণমূল কর্মীদের ভিড় দলের নেতৃত্বকে যথেষ্ট স্বস্তি দিয়েছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
সভায় উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল বিধায়ক আবদুর রহিম বক্সী, মতিবুর রহমান,দলের প্রাক্তন জেলা সভাপতি চিকিৎসক মোয়াজ্জেম হোসেন,মর্জিনা বিবি,সুবোধ রায়-সহ একাধিক তৃণমূল নেতৃত্ব।এদিনের সভা থেকে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তা ছিল স্পষ্ট ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব নয়,এখন লক্ষ্য সংগঠন। নিজেদের মধ্যে বিবাদ ভুলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে।দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সামনে রেখেই আগামী দিনে তৃণমূলকে আরও শক্তিশালী করার ডাক দেন তিনি।শুধু বার্তা নয়,সংগঠন ঢেলে সাজানোর কাজও শুরু করে দিল তৃণমূল।মালদহের ১৫টি ব্লকের সভাপতি নির্বাচন এবং নতুন জেলা কমিটি তৈরির জন্য তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।এই কমিটিতে রয়েছেন বিধায়ক আবদুর রহিম বক্সী,বিধায়ক মতিবুর রহমান এবং চিকিৎসক মোয়াজ্জেম হোসেন।
জানা গিয়েছে, তিন সদস্যের এই কমিটি জেলার ১৫টি ব্লকে ঘুরে স্থানীয় নেতৃত্ব ও কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করবে।তাঁদের মতামতের ভিত্তিতে ব্লক সভাপতি নির্বাচন এবং জেলা কমিটির প্রস্তাব তৈরি করা হবে। এরপর সেই প্রস্তাব পাঠানো হবে রাজ্য নেতৃত্বের কাছে। রাজ্য নেতৃত্বের অনুমোদনের পরই নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে।নির্বাচনের পর মালদহে তৃণমূলের সংগঠন কতটা ঘুরে দাঁড়াতে পারে তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা রয়েছে। তার মধ্যেই এদিনের সভায় কর্মী-সমর্থকদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখিয়ে দিল মালদহে এখনও সংগঠনকে ঘিরে তৃণমূলের সক্রিয়তা রয়েছে।
এক আধারে দুই জীবন আটকে! প্রশাসনিক ভুলে দশ বছর ধরে বঞ্চিত দুই বোন