নয়া জামানা, মালদা: ফলের রাজা আম। এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুস্কর যার পছন্দের তালিকায় এই ফল নেই। পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে আমের সবচেয়ে বেশি ফলন থাকে মালদা জেলায়। কলকাতার রসগোল্লা আর মালদার সাথে আমের সম্পর্ক যেন চিরন্তন।এইবছর শুরু হল মালদার আমের বিদেশযাত্রা। প্রথম দফায় দেশের গন্ডি পেরিয়ে ইতালি, আবু ধাবি এবং দুবাইয়ে গেল মালদার উন্নত প্রজাতির প্রায় ছয় মেট্রিকটন আম। একটি বেসরকারি বাণিজ্যিক সংস্থার মাধ্যমে আকাশপথে ইতালির মিলান শহরে এবং দুবাই সহ আরব,আমিরশাহী পাড়ি দিয়েছে জেলার আম, এমনটাই খবর জেলা প্রশাসন সূত্রে। জানা যায়, বিদেশে রপ্তানির জন্য মালদা জেলায় আম প্যাকেজিং করে শীততাপ নিয়ন্ত্রিত রেফ্রিজারেটরে সড়কপথে কলকাতা বিমানবন্দরে পাঠানো হয়। তারপর কলকাতা বিমানবন্দর থেকে বিমান যোগে বিদেশে রওনা দিয়েছে মালদার হিমসাগর, আম্রপালি ও মল্লিকা।প্রশাসন সূত্রে খবর, এ যাত্রায় মোট ছয় মেট্রিক টন আম পাঠানো হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী বিশুদ্ধ ও পরিশোধিত বলে শংসাপত্র দিয়েছে ভারত সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ।জেলাশাসক রাজনবীর সিং কাপুর জানিয়েছেন, জেলা থেকে আম সংক্রান্ত তথ্য সম্বলিত ‘আমার মালদহ’ নামে একটি পোর্টাল চালু করা হয়েছে। তাতে আন্তর্জাতিক বাজারে মালদার আমের পরিচিতি দ্রুতগতিতে বাড়বে। মিলছে সুফলও। আমিরশাহী থেকে আমের বরাত আসছে।প্রথম পর্যায়ে মালদহ থেকে ৬ মেট্রিক টন আম ইতালি ও আরব আমিরশাহীতে রপ্তানি করা হয়েছে। মালদহ জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে জেলায় উৎপাদিত ১ হাজার ৫০০ কেজি অর্থাৎ দেড় মেট্রিকটন আম রওনা দিয়েছে। আরও ৪ হাজার ৫০০ কেজি অর্থাৎ সাড়ে ৪ মেট্রিক টন আম গিয়েছে ইতালির মিলান শহরে। এছাড়াও এশিয়ার বেশ কিছু দেশে আম পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বরাত এসেছে আমিরশাহী থেকেও।এবার কার্যত বিদেশে আম পাঠানোর তোড়জোড় শুরু হয়েছে। রাজ্যের উদ্যানপালনের দপ্তরের উপ-অধিকর্তা সামন্ত লায়েক বলেন, “কলকাতা, দিল্লি ও মুম্বইয়ের দুই রপ্তানিকারক সংস্থার সঙ্গে কথা হয়েছে। তাঁরা ৫০০ মেট্রিকটন আম মালদহ থেকে বিদেশে রপ্তানির প্রস্তুতি নিয়েছেন।
আরো পড়ুন: