ব্রেকিং
[pj-news-ticker]
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • চরম গাফিলতি!স্যালাইনের চ্যানেল খুলতে গিয়ে কাটা পড়ল আড়াই মাসের শিশুর আঙুল

চরম গাফিলতি!স্যালাইনের চ্যানেল খুলতে গিয়ে কাটা পড়ল আড়াই মাসের শিশুর আঙুল

স্বরূপ সাহা,নয়া জামানা,মালদা: মালদার চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নার্সের পরিবর্তে এক ওয়ার্ড বয়ের হাতে স্যালাইনের চ্যানেল খুলতে গিয়ে আড়াই মাসের এক শিশুকন্যার আঙুল কেটে যাওয়ার অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে চাঁচল থানায় এবং....

চরম গাফিলতি!স্যালাইনের চ্যানেল খুলতে গিয়ে কাটা পড়ল আড়াই মাসের শিশুর আঙুল

স্বরূপ সাহা,নয়া জামানা,মালদা: মালদার চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নার্সের পরিবর্তে এক ওয়ার্ড বয়ের হাতে স্যালাইনের চ্যানেল....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


স্বরূপ সাহা,নয়া জামানা,মালদা: মালদার চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নার্সের পরিবর্তে এক ওয়ার্ড বয়ের হাতে স্যালাইনের চ্যানেল খুলতে গিয়ে আড়াই মাসের এক শিশুকন্যার আঙুল কেটে যাওয়ার অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে চাঁচল থানায় এবং হাসপাতালের সুপারিনটেনডেন্টের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে শিশুটির পরিবার। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ গোটা ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে অভিযুক্ত কর্মীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৬ জুন অসুস্থ হয়ে পড়ায় চাঁচল এলাকার বাসিন্দা এক ব্যক্তি তাঁর আড়াই মাসের শিশুকন্যাকে চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করেন। কয়েকদিন চিকিৎসার পর শিশুটি সুস্থ হয়ে ওঠায় সোমবার তাকে হাসপাতাল থেকে ছুটি দেওয়ার কথা ছিল। অভিযোগ, ছুটির আগে শিশুটির হাতে লাগানো স্যালাইনের চ্যানেল খুলতে যান হাসপাতালের ওয়ার্ড বয় উজ্জ্বল কুমার সাহা। চ্যানেলের টেপ কাঁচি দিয়ে কাটার সময় অসাবধানতাবশত শিশুটির বাঁ হাতের বুড়ো আঙুল কেটে যায়। সঙ্গে সঙ্গে রক্তপাত শুরু হলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন পরিবারের সদস্যরা।শিশুর পরিবারের অভিযোগ, স্যালাইনের চ্যানেল খোলার কাজটি প্রশিক্ষিত নার্সের করার কথা থাকলেও কর্তব্যরত সিস্টার নিজে তা না করে ওয়ার্ড বয়কে দায়িত্ব দেন। তাঁদের দাবি, উজ্জ্বল কুমার সাহা একজন ওয়ার্ড বয় বা সাফাই কর্মী। প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ না থাকায় তাঁর ভুলেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। পরিবারের আরও অভিযোগ, ঘটনার প্রতিবাদ করতে গেলে তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয় এবং ভয় দেখানোরও চেষ্টা করা হয়।শিশুটির কাকা মঞ্জুর আলম বলেন, হাসপাতালের অবহেলার কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে। দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি শিশুটির উন্নত চিকিৎসার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
অন্যদিকে, হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। গোটা ঘটনার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দুঃখ প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি অভিযুক্ত ওয়ার্ড বয়ের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছে।


 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর