তারিক আনোয়ার, নয়া জামানা,বীরভূম: এলাকার সার্বিক উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা আরও দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ফুলুর গ্রাম পঞ্চায়েত পরিদর্শনে গেলেন সাঁইথিয়া বিধানসভার বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহা। এদিন তিনি পঞ্চায়েত কার্যালয়ে সরকারি আধিকারিক, কর্মী এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পাশাপাশি অনুষ্ঠিত হয় একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বৈঠক, যেখানে এলাকার চলমান ও ভবিষ্যৎ উন্নয়নমূলক প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।বৈঠকে বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহা পঞ্চায়েত এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের অগ্রগতি খতিয়ে দেখেন। বিশেষভাবে ১২৫ দিনের কর্মসূচির কাজ, গ্রামীণ রাস্তাঘাট নির্মাণ ও সংস্কার, পানীয় জলের পরিকাঠামোর উন্নয়ন, সরকারি পরিষেবা প্রদানের গতি এবং জনসাধারণের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। রাজ্য সরকারের জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলি যাতে প্রকৃত উপভোক্তাদের কাছে সময়মতো পৌঁছায়, সেই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেন তিনি।বিধায়ক আরও বলেন, সাধারণ মানুষ যাতে পঞ্চায়েতে এসে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন এবং জন্ম-মৃত্যু শংসাপত্র, আয়, জাতি ও আবাসিক শংসাপত্রসহ অন্যান্য সরকারি পরিষেবা দ্রুত পান, সেই বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। পাশাপাশি পঞ্চায়েত এলাকার বিভিন্ন বুথে স্থানীয় সমস্যাগুলি চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে একটি কার্যকর রূপরেখা তৈরির ওপরও জোর দেন তিনি।
তিনি সরকারি কর্মী ও পঞ্চায়েত প্রতিনিধিদের উদ্দেশে বলেন, মানুষের আস্থা অর্জনের একমাত্র পথ হলো নিষ্ঠা, স্বচ্ছতা ও দ্রুত পরিষেবা প্রদান। প্রশাসন এবং জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই একটি এলাকার প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব।বৈঠক শেষে বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহা বলেন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উদ্যোগে রাজ্যের প্রতিটি প্রান্তে উন্নয়নের আলো পৌঁছে দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য। ফুলুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কর্মীরা অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন। আগামী দিনে এলাকার মানুষের স্বার্থে উন্নয়নের কাজ আরও দ্রুত ও কার্যকরভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে কিছু প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মানুষের স্বার্থই আমাদের কাছে সর্বাগ্রে, তাই প্রতিটি সরকারি প্রকল্পের সুফল যেন সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছায়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর।এই পরিদর্শনের মাধ্যমে ফুলুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উন্নয়নমূলক কাজের গতি আরও বাড়বে এবং সরকারি পরিষেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে সমন্বয় আরও সুদৃঢ় হবে বলেই আশা প্রকাশ করা হয়েছে।
বিকাশ ভবনে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের বিক্ষোভ, শূন্যপদে দ্রুত নিয়োগের দাবি