দিলীপকুমার তালুকদার, নয়া জামানা,দক্ষিণ দিনাজপুর: নিজের বাপ-দাদার পদবি পরিবর্তন করে এক তৃণমূল নেতার আদিবাসি সেজে সরকারি খাস জমি নিজ নামে আত্মসাত করার অভিযোগকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল বংশীহারী ব্লকে।জানা গেছে, বংশীহারী ব্লকের মহাবাড়ি পঞ্চায়েতের পাঞ্জারীপাড়ার বাসিন্দা তথা দক্ষিন দিনাজপুর জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধেই এহেন মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে।অভিযোগ,তিনি তার নাম রফিকুল ইসলামের বদলে রফিকুল হাঁসদায় পরিবর্তন করে আদিবাসি সেজে পাঞ্জারিপাড়া মৌজার ১ নম্বর খতিয়ানের ( জেএল নং ১৮৯,খতিয়ান নং ৩০৬) বেশ কিছু সরকারি খাস জমি নিজের নামে রেকর্ড করে নিয়েছেন।তার এই বেআইনি কার্যকলাপে পাঞ্জারীপাড়া এলাকার মানুষজনের চক্ষু চড়কগাছ।তাদের মধ্যে ইতিমধ্যে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।স্থানীয় এক বাসিন্দা আসলাম শেখ বলেন, এখন তো দেখছি তৃনমূলের সবাই চোর! জেলা পরিষদের পদে বসে আদিবাসি সেজে শুধু খাস জমি দখল করাই নয়, মনে হয় তদন্ত করলে তার অনেক কুকীর্তি ফাঁস হবেই হবে।এইসব দুনম্বরি নেতার কঠোর শাস্তি হওয়া দরকার।এই ব্যাপারে দক্ষিন দিনাজপুর জেলা শাসক বালাসুব্রামনিয়াম টি বলেন,এমন অভিযোগ আগে শুনি নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ব্যাপারে জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম বলেন,সরকারি খাস জমিটি আদতে আমাদেরই ছিল।অনেকদিন আগে ভূমি সংস্কার আইনের কবলে পড়ে সিলিং হওয়ায় তা খাস হয়ে যায়।আর পুরানো দলিলে আমার নাম রফিকুল হাসান থাকায় ভূলবশত রেকর্ড করার সময় হাসানের স্থলে হাঁসদা হয়ে যায়।সেজন্যই এই সমস্যা।তবে, জনগনের একটাই প্রশ্ন, তার যদি অসৎ উদ্দেশ্য নাই থাকে তবে আদিবাসি পদবি হাঁসদা পরিবর্তন করলেন না কেন?আর কেনই বা রেকর্ড করে চুপিসারে সরকারি খাস জমি নিজের নামে রেকর্ড করলেন! এখন আইনের হাত থেকে বাঁচার জন্য মিথ্যা বুলি আওড়াচ্ছেন।এইসব দুনম্বরি নেতাদের কঠোর শাস্তি দেওয়া প্রয়োজন বলে তারা দাবি তুলছেন।
‘সব বদলে দিন, সরকার বদলাবে না’, মুখ্যসচিবকে সরানোয় তোপ মমতার