নয়া জামানা : নিজের হাতে গড়া দলকে ধীরে রাখতে পারলেন না তৃণমূল সুপ্রিমো। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসকে দখল নিল বিদ্রোহী আসল তৃণমূল। সোমবার বিকেলে মমতাকে সরিয়ে নয়া তৃণমূলের
চেয়ারম্যান হয়েছেন মধ্য হাওড়ার বিধায়ক অরূপ রায়।সোমবার বিকেলে ঋতব্রতর নেতৃত্বে নিউটাউনের নামী পাঁচতারা হোটেলে বিশেষ অধিবেশনে হাজির হলেন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের তৃণমূল কাউন্সিলররা। তাতে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত, মমতার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করল ঋতব্রতপন্থী তৃণমূল। ঘোষণা হল নতুন জাতীয় কর্মসমিতি। দ্রুতই রাজ্য কমিটিও গঠন হবে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে রেজিস্ট্রেশনের জন্য আবেদন করা হবে।এতদিন তৃণমূলের সর্বময় নেত্রী তথা চেয়ারম্যান ছিলেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার ঋতব্রতরা দাবি করছেন চেয়ারম্যান অরূপ।সোমবার বিদ্রোহী বিধায়করা সাংবাদিক বৈঠক করেন। সাংবাদিকরা তাঁদের প্রশ্ন করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই দল তৈরি করেছেন। তাঁকেই আডট করে অরূপ রায়কে নিয়েছেন। এর উত্তর দিতে গিয়ে নতুন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের স্পেশাল সেশনে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁরা সর্বসম্মতিতে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেই সিদ্ধান্ত আমি বাংলায় পড়ে দিয়েছি। খুব লাউড অ্যান্ড ক্লিয়ার যে সিদ্ধান্ত হয়েছে তা আপনাদের জানিয়েছি।বৈঠক থেকে জানা গিয়েছে,মঙ্গলবার থেকে রাজ্য কমিটি গঠন হবে। আজ থেকে মুখপত্ররা বিভিন্ন জায়গায় যাবেন। সাংবাদিক বৈঠকের একদম শেষে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে চার্টার্ড অভিষেক বলে কটাক্ষ বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তাঁর আগে তিনি বলেন, অভিষেক কে? যে চোর পিটুনি খায়। তাঁকে নিয়ে সময় ব্যয় করতে নারাজ আমি।বিরোধী দলনেতা স্পষ্ট করে বলেন, আমরাই তৃণমূল কংগ্রেস। আমাদের হাতেই প্রতীক থাকবে।নতুন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক–জাভেদ খান,সন্দীপন সাহা,ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, সাবিনা ইয়াসমিন।কোষাধ্যক্ষ হলেন-আখতারুজ্জামান।ভাইস প্রেসিডেন্ট হলেন অরূপ বিশ্বাস, ফিরহাদ হাকিম,রথীন ঘোষ।জাতীয় কর্মসমিতিতে -অরূপ রায় , ফিরহাদ হাকিম,অরূপ বিশ্বাস,সাবিনা ইয়াসমিন,সন্দীপন সাহা,রথীন ঘোষ,বিপ্লব মিত্র,ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়,আখরুজ্জামান, কাজল শেখ মত অভিজ্ঞ নেতারা নিয়ে গঠিত হয়েছে।
আরো পড়ুন: