নয়া জামানা, দিনহাটা: কোচবিহারের দিনহাটা ২ ব্লকের চৌধুরীহাট গ্রামপঞ্চায়েতের খাটামারি এলাকায় এক নজিরবিহীন ও মর্মান্তিক ঘটনা সামনে এসেছে। পাঁচ বছর আগে বাবা মারা যাওয়ার পর তাঁর নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিতে গিয়েছিলেন ছেলে শহিদুল ইসলাম। কিন্তু ব্লক লেভেল অফিসারের মারাত্মক ভুলের কারণে বাবার বদলে খোদ জীবিত ছেলেই ভোটার তালিকায় ‘মৃত’ হয়ে যান। পেশায় ভাঙাচোরা সামগ্রীর ব্যবসায়ী শহিদুল গত পাঁচ বছর ধরে এই ভুলের কারণে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
সোমবার দিনহাটা মহকুমা শাসকের দপ্তরে এসে ক্ষোভে ও হতাশায় কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। শহিদুল জানান, প্রশাসনের দরজায় দরজায় ঘুরেও কোনো সমাধান মেলেনি, এমনকি এদিন এসডিও-র দেখাও পাননি তিনি। দীর্ঘ হয়রানির জেরে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে তিনি আত্মহত্যার কথাও ভাবছেন।
অন্যদিকে, সংশ্লিষ্ট বুথের বিএলও মহম্মদ মাসুদ আখতার রিজা জানিয়েছেন, তাঁদের বুথে এমন চারজনের নাম ভুলবশত বাদ পড়েছে। তাঁদেরকে এআইআরও-র কাছ থেকে একটি শংসাপত্র এনে ৬ নম্বর ফর্ম ফিলাপ করতে বলা হয়েছে। বিএলও-র দাবি, শহিদুল এখনো সেই শংসাপত্র জমা না দেওয়ার কারণেই তালিকায় তাঁর নাম পুনরায় তোলা সম্ভব হয়নি। তবে সরকারি ভুলের খেসারত কেন একজন সাধারণ নাগরিককে এভাবে দিতে হবে, তা নিয়ে উঠছে বড় প্রশ্ন।
আরো পড়ুন:
মৃতদেহ! রহস্যমৃত্যুকে ঘিরে স্থানীয়দের বিক্ষোভ, ব্যাহত যান চলাচল