• Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • মাধ্যমিকে রাজ্যের তৃতীয় সৌর জানা, লক্ষ্য চিকিৎসা বিজ্ঞানে গবেষণা

মাধ্যমিকে রাজ্যের তৃতীয় সৌর জানা, লক্ষ্য চিকিৎসা বিজ্ঞানে গবেষণা

নয়া জামানা , মেদিনীপুর : এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষায় অসাধারণ সাফল্য অর্জন করে রাজ্যের মধ্যে তৃতীয় স্থান অধিকার করলো মেদিনীপুর শহরের ছেলে সৌর জানা। ৬৯৫ নম্বর পেয়ে এই কৃতিত্ব অর্জন করেছে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন -এর ছাত্র সৌর। তার এই সাফল্যে খুশির....

মাধ্যমিকে রাজ্যের তৃতীয় সৌর জানা, লক্ষ্য চিকিৎসা বিজ্ঞানে গবেষণা

নয়া জামানা , মেদিনীপুর : এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষায় অসাধারণ সাফল্য অর্জন করে রাজ্যের মধ্যে তৃতীয় স্থান....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা , মেদিনীপুর : এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষায় অসাধারণ সাফল্য অর্জন করে রাজ্যের মধ্যে তৃতীয় স্থান অধিকার করলো মেদিনীপুর শহরের ছেলে সৌর জানা। ৬৯৫ নম্বর পেয়ে এই কৃতিত্ব অর্জন করেছে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন -এর ছাত্র সৌর। তার এই সাফল্যে খুশির হাওয়া মেদিনীপুর শহরজুড়ে। পরিবার, স্কুল ও এলাকার মানুষ সৌরের এই ফলাফলে গর্বিত।

মেদিনীপুর শহরের নগরচক এলাকার স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পিছনের গলিতে বেড়বল্লভপুরে সৌরদের বাড়ি। ছোটবেলা থেকেই অত্যন্ত মেধাবী ও শান্ত স্বভাবের ছাত্র হিসেবে পরিচিত সৌর। তার বাবা কালাইমুড়ী নেতাজি সুভাষ হাই স্কুল -এর প্রধান শিক্ষক সুভাষ জানা এবং মা গোয়ালতোড়ে গার্লস হাই স্কুল -এর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা অন্তরা বসু জানা। শিক্ষার পরিবেশেই বড় হয়ে ওঠা সৌরের সাফল্যের পেছনে বাবা-মায়ের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণার বড় ভূমিকা রয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয়েছিল মেদিনীপুরের ভগবাটী শিশু শিক্ষয়তন-এ। এরপর নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনে ভর্তি হয়ে নিয়মিত অধ্যবসায় ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজের স্বপ্নের পথে এগিয়ে চলে সৌর। শুধু পড়াশোনাতেই নয়, গান, আবৃত্তি ও অঙ্কনেও সমান পারদর্শী সে। বিদ্যালয়ের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় অংশগ্রহণ করে সৌর।

ভবিষ্যতে চিকিৎসা বিজ্ঞান নিয়ে গবেষণা করার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছে সে। মানুষের উপকারে আসে এমন কিছু আবিষ্কার করার স্বপ্ন দেখে এই কৃতী ছাত্র। সৌরের কথায়, “ভালোভাবে পড়াশোনা করে ভবিষ্যতে চিকিৎসা বিজ্ঞান নিয়ে গবেষণা করতে চাই। সমাজের মানুষের জন্য কিছু করতে পারলেই ভালো লাগবে।”

সৌরের বাবা সুভাষ জানা দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা ও চরিত্র গঠন বিষয়ক নানা প্রবন্ধ লিখে আসছেন। তাঁর লেখনী যেমন সমাজে প্রশংসিত, তেমনই ছেলের এই সাফল্যও এখন জেলার গর্ব হয়ে উঠেছে। সৌরের এই সাফল্যে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনের বন্যা নেমেছে শিক্ষক মহল থেকে শুরু করে আত্মীয়-পরিজনদের মধ্যেও।


 

বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে সচেতনতার চাকা ঘুরছে! ১২ দিন ধরে জেলাজুড়ে প্রচার গাড়ি

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর