নতজানু হয়ে প্রণাম বঙ্গবাসীকে 

নয়া জামানা ডেস্ক : রাজ্যে বিজেপির ঐতিহাসিক জয়ের পর শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হল নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার সকাল থেকেই ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ভিড় জমাতে শুরু....

নতজানু হয়ে প্রণাম বঙ্গবাসীকে 

নয়া জামানা ডেস্ক : রাজ্যে বিজেপির ঐতিহাসিক জয়ের পর শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হল নতুন....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা ডেস্ক : রাজ্যে বিজেপির ঐতিহাসিক জয়ের পর শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হল নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

শনিবার সকাল থেকেই ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ভিড় জমাতে শুরু করেন বিজেপি সমর্থকরা। নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই কার্যত জনসমুদ্রে পরিণত হয় ময়দান চত্বর। বেলা ১১টায় শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আগে কলকাতা বিমানবন্দর থেকে বায়ুসেনার হেলিকপ্টারে ব্রিগেডে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত জনতার উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো।

মঞ্চে উঠে প্রথমেই কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন প্রধানমন্ত্রী। জোড় হাতে শ্রদ্ধা জানান বিশ্বকবিকে। এরপর মঞ্চের মাঝখানে এসে জনতার উদ্দেশে নতজানু হয়ে প্রণাম করেন তিনি। সেই দৃশ্য ঘিরে আবেগের পরিবেশ তৈরি হয় ব্রিগেডে। পরে সামাজিক মাধ্যমেও একটি ভিডিও পোস্ট করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “পশ্চিমবঙ্গের জনশক্তির কাছে আমি মাথানত করছি।”

উল্লেখ্য, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের একাধিক জেলায় প্রচারসভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। উন্নয়ন ও পরিবর্তনের বার্তা তুলে ধরে বিজেপির পক্ষে জনসমর্থন চেয়েছিলেন তিনি। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর দেখা যায়, বিজেপি স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে এগিয়েছে।

এদিনের অনুষ্ঠানে আরেকটি আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী থাকে ব্রিগেড। মঞ্চে উপস্থিত প্রবীণ বিজেপি কর্মী মাখনলাল সরকারের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন প্রধানমন্ত্রী। ৯২ বছরের মাখনলালবাবু বিজেপির প্রতিষ্ঠাতা শ্যামা প্রসাদ মুখার্জি-এর কাশ্মীর অভিযানের সঙ্গী ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই আচরণে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি।

তবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকলেও কোনও রাজনৈতিক বক্তব্য রাখেননি প্রধানমন্ত্রী। শপথগ্রহণ পর্ব শেষ হওয়ার পরই তিনি দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেন।


 

ফাঁসিদেওয়ায় আন্তর্জাতিক সাঁওতাল কাউন্সিলের নবম সম্মেলনে যোগ দেবেন দ্রুপদী মুর্মু, উপস্থিত থাকবেন রাজ্যপাল, মুখ্যমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, বিশেষ নিরাপত্তায় ব্যাপক প্রশাসনিক প্রস্তুতি শুরু উত্তরবঙ্গে

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর