ব্রেকিং
[pj-news-ticker]
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • তারাপীঠের ছিন্নমস্তা মন্দিরে ভক্তদের ভিড়, অলৌকিক বিশ্বাসে বাড়ছে আস্থা!

তারাপীঠের ছিন্নমস্তা মন্দিরে ভক্তদের ভিড়, অলৌকিক বিশ্বাসে বাড়ছে আস্থা!

সায়ন ভান্ডারী,নয়া জামানা, বীরভূম: বীরভূমের পুণ্যভূমি তারাপীঠ শুধুমাত্র মা তারার মন্দিরের জন্যই নয়, বিভিন্ন আধ্যাত্মিক ও তান্ত্রিক সাধনক্ষেত্রের জন্যও সুপরিচিত। সেইসব গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থানের মধ্যে অন্যতম হল তারাপীঠের ঐতিহ্যবাহী ছিন্নমস্তা মন্দির। প্রায় চার দশক ধরে এই মন্দির ভক্তদের বিশ্বাস, ভক্তি....

তারাপীঠের ছিন্নমস্তা মন্দিরে ভক্তদের ভিড়, অলৌকিক বিশ্বাসে বাড়ছে আস্থা!

সায়ন ভান্ডারী,নয়া জামানা, বীরভূম: বীরভূমের পুণ্যভূমি তারাপীঠ শুধুমাত্র মা তারার মন্দিরের জন্যই নয়, বিভিন্ন আধ্যাত্মিক ও....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


সায়ন ভান্ডারী,নয়া জামানা, বীরভূম: বীরভূমের পুণ্যভূমি তারাপীঠ শুধুমাত্র মা তারার মন্দিরের জন্যই নয়, বিভিন্ন আধ্যাত্মিক ও তান্ত্রিক সাধনক্ষেত্রের জন্যও সুপরিচিত। সেইসব গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থানের মধ্যে অন্যতম হল তারাপীঠের ঐতিহ্যবাহী ছিন্নমস্তা মন্দির। প্রায় চার দশক ধরে এই মন্দির ভক্তদের বিশ্বাস, ভক্তি এবং আধ্যাত্মিক সাধনার অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছে। মন্দিরকে ঘিরে রয়েছে একাধিক অলৌকিক কাহিনি ও গভীর আধ্যাত্মিক ইতিহাস, যা আজও বহু মানুষকে আকৃষ্ট করে। মন্দিরের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত সেবাইত সঞ্চিতা ভট্টাচার্য জানান, এই মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন বিশিষ্ট সাধক বঙ্কিমচন্দ্র ভট্টাচার্য। দীর্ঘদিন ধরে তিনি তারাপীঠ মহাশ্মশানে কঠোর তন্ত্র সাধনায় নিমগ্ন ছিলেন। এর আগে তিনি কামাখ্যাতেও বহু বছর সাধনা করেছেন। সাধনার এক পর্যায়ে তিনি এক ছোট্ট কন্যার রূপে মা তারার দর্শন লাভ করেন। সেই সময় তিনি মায়ের কাছে একটি কালী মন্দির প্রতিষ্ঠার ইচ্ছা প্রকাশ করলে মা তাঁকে ছিন্নমস্তা রূপে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি দেবী বগলা ও দেবী কালীর অবস্থানের কথাও জানিয়ে দেন। মায়ের সেই নির্দেশ অনুসরণ করেই ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এই ছিন্নমস্তা মন্দির। মন্দিরের অন্যতম বিশেষ আকর্ষণ হল এর পঞ্চমুণ্ডী আসন। মন্দির প্রাঙ্গণে প্রবেশ করলেই ডানদিকে মাটির নিচে অবস্থিত এই পবিত্র আসন, যা তন্ত্রসাধনার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। এখানে নিয়মিতভাবে হোম, যজ্ঞ এবং বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, এই স্থানের আধ্যাত্মিক শক্তি ও পরিবেশ ভক্তদের মনে বিশেষ শান্তি এনে দেয়।
সেবাইত সঞ্চিতা ভট্টাচার্য আরও জানান, প্রতিদিনই বহু মানুষ নানান সমস্যার সমাধানের আশায় এই মন্দিরে আসেন। কেউ মানসিক শান্তির জন্য, কেউ রোগমুক্তির কামনায়, আবার কেউ পারিবারিক বা ব্যক্তিগত সংকট থেকে মুক্তির আশায় দেবীর চরণে প্রার্থনা করেন। ভক্তদের বিশ্বাস, মা ছিন্নমস্তার কৃপায় বহু মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। সেই কারণেই বছরভর ভক্তদের ভিড় লেগেই থাকে এই মন্দিরে। তারাপীঠে আগত দর্শনার্থীদের জন্য মন্দিরে পৌঁছানোর পথও অত্যন্ত সহজ। তারাপীঠের চারমাথা মোড় থেকে সোজা রাস্তা ধরে এগিয়ে তারাপীঠ থানা পার হয়ে কিছুটা দূরে বাঁদিকে একটি জলের ট্যাঙ্ক দেখা যায়। সেই জলের ট্যাঙ্কের পাশেই অবস্থিত এই ছিন্নমস্তা মন্দির।আধ্যাত্মিক পরিবেশ, তান্ত্রিক সাধনার ঐতিহ্য এবং ভক্তদের অগাধ বিশ্বাসকে কেন্দ্র করে আজও তারাপীঠের এই মন্দির বিশেষ গুরুত্ব বহন করে চলেছে।


 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর