তারিখ আনোয়ার, নয়া জামানা, বীরভূম: এসআইআর এর জট কাটিয়ে আজ থেকে শুরু হয়েছে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট দান। কেন্দ্রীয় বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মত প্রত্যেকটা বুথেই পোলিং এজেন্ট থেকে শুরু করে ভোট কর্মীরা তাদের দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।বেলা বাড়ার সাথে সাথে অনেক জায়গাতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। কোথাও তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ আবার কোথাও পুলিশের লাঠিচার্জ। তবে, বীরভূমের রামপুরহাট বিধানসভা কেন্দ্রে দেখা গেল অন্য এক চিত্র। বীরভূম জেলার রামপুরহাট ২৯১ বিধানসভার সোঁতশাল গ্রামে ৯ জন ভোটার ভোট দিতে পারলেন না। অথচ তাদের ভোটার লিস্টে নাম ছিল এবং বিএলও ভোট দেওয়ার জন্য তোদেরকে চিরকুট পর্যন্তও দিয়ে এসেছিল। যারা ভোট দিতে পারলেন না তাদের নাম হলো সাহিদুল সেখ বয়স, রিয়াজ সেখ,আমিনা খাতুন, শান্তনা খাতুন, কুলসুমা খাতুন, আমেনা খাতুন, মুসকান খাতুন, মনিরা খাতুন,ইমরান সেখ। তাঁদের বক্তব্য, বিএলও লিস্টে নাম থাকার পরেও কেন তারা ভোট দিতে পারলেন না, তা এখনো তাঁদের কাছে পরিষ্কার নয়। একবার নয় দুইবার নয় , প্রায় তিন থেকে চার বার বুথ থেকে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং বলা হয়েছে তাঁরা কেউ ভোট দিতে পারবে না। এই ঘটনার জেরে এসআইআর এর প্রতি মানুষের আরও ক্ষোভ বেড়ে গিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। যে সমস্ত ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়ে এই বছর ভোট দিতে পারলেন না তাদের মনেও একই প্রশ্ন, আদৌ তারা এই নির্বাচনের পরে ভারতের নাগরিক তো দূরে থাক, ভারতে থাকতে পারবে কিনা।পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।
বাংলার ভোটে সাঁজোয়া গাড়ি কেন ? পহেলগাঁও স্মরণে মোদীকে তোপ মমতার