নয়া জামানা:দক্ষিণ চিন সাগর পেরিয়ে ভারত মহাসাগরের দিকে ক্রমশ এগোচ্ছে চিন। তাদের এই আগ্রাসী নীতিতে ক্ষুব্ধ আসিয়ানভুক্ত একাধিক দেশ। এই প্রেক্ষাপটে সরাসরি সামরিক সংঘাতে না জড়িয়েও কৌশলগতভাবে চিনকে ঘিরে ফেলার পথে হাঁটছে ভারত। ইতিমধ্যে আসিয়ানের তিনটি দেশ ভারতের সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্রহ্মস কিনেছে, শীঘ্রই এই তালিকায় যুক্ত হতে পারে থাইল্যান্ডও। সম্প্রতি তাইওয়ান টকস-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল পিআর শংকর। তাঁর মতে, এই উদ্যোগ কেবল চিনকে লক্ষ্য করে নয়, বরং একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলার প্রচেষ্টা।অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ব্রহ্মসের সক্ষমতা প্রত্যক্ষ করার পর বিশ্বজুড়ে এই অস্ত্র কেনার আগ্রহ বেড়েছে। গত এক বছরে ভিয়েতনাম ও ইন্দোনেশিয়া ভারতের সঙ্গে চুক্তি করেছে, আর ২০২২ সালে ফিলিপিন্স প্রায় ৩৭৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে উপকূল-নিরাপত্তার জন্য ব্রহ্মস কেনে। মালয়েশিয়াও শীঘ্রই এই দলে যোগ দিতে পারে। এই সব দেশই দক্ষিণ চিন সাগরের তীরবর্তী এবং চিনা আগ্রাসনে বিরক্ত।শংকরের ভাষায়, এটি কোনও সামরিক জোট নয়, বরং চিনের সঙ্গে সামুদ্রিক বিবাদে জড়িত দেশগুলোর সঙ্গে ভারতের ক্রমবর্ধমান ব্রহ্মস-অংশীদারিত্বের নেটওয়ার্ক। বিশ্বের ২১ শতাংশ বাণিজ্য যে জলপথ দিয়ে চলে, সেই দক্ষিণ চিন সাগরের ৯০ শতাংশ নিজেদের বলে দাবি করে চিন, যার জেরে ভিয়েতনাম, ফিলিপিন্স, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই ও তাইওয়ানের সঙ্গে বিরোধ চলছে।
কঠিন লড়াইয়ে ভেঙে পড়ল ব্যাটিং, সুপার এইটে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে বড় হার ভারতের