ব্রেকিং
  • Home /
  • মহানগর /
  • ফলাফল ঘোষণার আগেই কংগ্রেসে, ছেড়ে তৃণমূলে প্রার্থী, কমিশনে নালিশ

ফলাফল ঘোষণার আগেই কংগ্রেসে, ছেড়ে তৃণমূলে প্রার্থী, কমিশনে নালিশ

নয়া জামানা, কলকাতা : ভোটের ফল বেরোতে এখনও কয়েক ঘণ্টা বাকি। তার আগেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পশ্চিমে রাজনৈতিক সমীকরণ ওলটপালট হয়ে গেল। আচমকাই জার্সি বদলে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিলেন কংগ্রেস প্রার্থী আবদুল মাজিদ হালদার। তৃণমূল প্রার্থী শামীম আহমেদের হাত....

ফলাফল ঘোষণার আগেই কংগ্রেসে, ছেড়ে তৃণমূলে প্রার্থী, কমিশনে নালিশ

নয়া জামানা, কলকাতা : ভোটের ফল বেরোতে এখনও কয়েক ঘণ্টা বাকি। তার আগেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা, কলকাতা : ভোটের ফল বেরোতে এখনও কয়েক ঘণ্টা বাকি। তার আগেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পশ্চিমে রাজনৈতিক সমীকরণ ওলটপালট হয়ে গেল। আচমকাই জার্সি বদলে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিলেন কংগ্রেস প্রার্থী আবদুল মাজিদ হালদার। তৃণমূল প্রার্থী শামীম আহমেদের হাত ধরে তাঁর এই দলবদল ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই ঘটনাকে ‘গণতন্ত্রের ওপর আঘাত’ বলে দেগে দিয়ে সরাসরি নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব। তৃণমূল প্রার্থী শামীম আহমেদের উপস্থিতিতেই দলবদল সারেন মাজিদ। ঘটনাচক্রে শামীম নিজেও একসময় কংগ্রেসের ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে এসেছেন। সেই প্রাক্তন সতীর্থই এবার নিজের দলের প্রার্থীকে ভাঙিয়ে নিলেন বলে অভিযোগ কংগ্রেসের। এই ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার।তিনি সাফ জানিয়েছেন, ‘এটা প্রার্থী ভাঙানো, সরাসরি গণতন্ত্রের উপর আঘাত। মনোনয়ন জমা ও প্রতীক পাওয়ার পর অন্য দলে যোগ দেওয়া গুরুতর অপরাধ।’ তাঁর যুক্তি, সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর নির্বাচনী খরচ বহন করেছে দল। এমতাবস্থায় কেন কমিশন কড়া ব্যবস্থা নেবে না, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।কংগ্রেস শিবিরের অভিযোগ, ফল ঘোষণার আগে এবং পরে ‘ঘোড়া কেনাবেচা’র নোংরা রাজনীতি শুরু হয়েছে। শুভঙ্করের আশঙ্কা, এই প্রবণতা আগামীতে আরও বাড়বে। তাঁর দাবি, ‘যে-ই জিতুক, স্থিতাবস্থা বজায় রাখা উচিত। কিন্তু কেন এই কেনাবেচা হবে? যারা এগুলো করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা জরুরি।’ ইতিমধ্যেই কমিশনে নালিশ জানানো হলেও এখনও কোনও সদর্থক পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলে আক্ষেপ করেছেন তিনি। শুধু দলবদল নয়, গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়েই সুর চড়িয়েছে কংগ্রেস। কালীঘাট থানার ওসির বারবার বদলি থেকে শুরু করে স্ট্রং রুমের নিরাপত্তা— প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শুভঙ্কর সরকার। তাঁর তোপ, ‘নির্বাচনটা লজ্জাজনক হয়েছে।’ বহু বুথে এজেন্টদের ঢুকতে বাধা দেওয়া এবং ভোটারদের একাংশকে ভোট দিতে না দেওয়ার অভিযোগও তুলেছেন তিনি। এরই মধ্যে এআইসিসি নেতা গুলাম আহমেদ মীরের একটি মন্তব্য কংগ্রেসের অস্বস্তি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।বাংলায় তৃণমূলের ক্ষমতায় ফেরার ইঙ্গিত দিয়ে তিনি যে মন্তব্য করেছেন, তা নিয়ে দলের অন্দরেই শুরু হয়েছে গুঞ্জন। যেখানে দল একক শক্তিতে লড়াইয়ের ডাক দিয়েছিল, সেখানে ফল প্রকাশের আগেই শীর্ষ নেতার এমন বয়ান নিচুতলার কর্মীদের মনোবল ভেঙে দিচ্ছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। মগরাহাটের এই দলবদল শেষ পর্যন্ত কমিশনের টেবিলে কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার। ফাইল ফটো।


 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর