ব্রেকিং
[pj-news-ticker]
  • Home /
  • জেলা /
  • পরিত্যক্ত কোটি টাকার উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র  চিকিৎসাবঞ্চিত সালানপুরের মানুষ

পরিত্যক্ত কোটি টাকার উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র  চিকিৎসাবঞ্চিত সালানপুরের মানুষ

‏সীতারাম মুখার্জি, নয়া জামানা, সালানপুর: গ্রামবাংলার মানুষের দোরগোড়ায় প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে সরকারি অর্থে সালানপুর ব্লকে গড়ে তোলা হয়েছিল উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র। উদ্দেশ্য ছিল জ্বর-সর্দি থেকে শুরু করে মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য—প্রাথমিক সমস্ত চিকিৎসা যেন গ্রামের মানুষ সহজেই পান। কিন্তু....

পরিত্যক্ত কোটি টাকার উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র  চিকিৎসাবঞ্চিত সালানপুরের মানুষ

‏সীতারাম মুখার্জি, নয়া জামানা, সালানপুর: গ্রামবাংলার মানুষের দোরগোড়ায় প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে সরকারি অর্থে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


সীতারাম মুখার্জি, নয়া জামানা, সালানপুর: গ্রামবাংলার মানুষের দোরগোড়ায় প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে সরকারি অর্থে সালানপুর ব্লকে গড়ে তোলা হয়েছিল উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র। উদ্দেশ্য ছিল জ্বর-সর্দি থেকে শুরু করে মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য—প্রাথমিক সমস্ত চিকিৎসা যেন গ্রামের মানুষ সহজেই পান। কিন্তু বর্তমানে পশ্চিম বর্ধমানের সালানপুরের এই উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলি পরিকাঠামোগত অবক্ষয় ও প্রশাসনিক উদাসীনতার এক চরম নিদর্শন হয়ে দাঁড়িয়েছে। অধিকাংশ কেন্দ্রই এখন তালাবন্দি, ভাঙা জানলা ও ঘন জঙ্গলে ঢাকা। চিকিৎসার পরিবর্তে এই পরিত্যক্ত ভবনগুলি এখন অসামাজিক কাজকর্ম বা আড্ডার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

 

সালানপুর ব্লকের বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা ঘুরে দেখা গিয়েছে, সরকারি অর্থে নির্মিত এই একাধিক কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরে অচল। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এখানে নিয়মিত কোনও চিকিৎসক বা নার্স আসেন না। স্বাস্থ্যকর্মীদের উপস্থিতিও অত্যন্ত অনিয়মিত। কোথাও সপ্তাহে মাত্র একদিন নামমাত্র পরিষেবা মিললেও, অধিকাংশ সময়ই তা বন্ধ থাকে। সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ভবনের দেওয়ালের পলেস্তারা খসে পড়ছে, লোহার গ্রিল চুরি হয়ে যাচ্ছে এবং চত্বর জুড়ে আগাছা গজিয়ে উঠেছে। এথোড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের মাধাই চক উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রটির অবস্থা সবথেকে শোচনীয়। স্থানীয়দের দাবি, এটি সচল থাকলে আশপাশের কয়েক হাজার মানুষ উপকৃত হতেন। কিন্তু এখন সামান্য অসুস্থতার জন্যও তাঁদের মাইলের পর মাইল পথ পেরিয়ে ছুটতে হচ্ছে পিঠাকেয়ারী গ্রামীণ হাসপাতালে। এর ফলে গ্রামীণ হাসপাতালের ওপর রোগীর চাপ যেমন বাড়ছে, তেমনই সাধারণ মানুষের সময়, অর্থ ও ভোগান্তি চরমে পৌঁছোচ্ছে।

 

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র হল গ্রামীণ স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মূল ভিত্তি। টিকাকরণ, গর্ভবতী মহিলাদের পরিচর্যা এবং সাধারণ রোগের চিকিৎসার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ এখান থেকেই পরিচালিত হওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে শুধু ভবন নির্মাণ করেই প্রশাসন দায় সেরেছে; চিকিৎসক, কর্মী ও ওষুধের জোগান নিশ্চিত করা হয়নি। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য দফতর বা ব্লক প্রশাসনের কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। কোটি কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি এভাবে নষ্ট হতে থাকায় ক্ষোভ ছড়াচ্ছে এলাকায়। এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে এই কেন্দ্রগুলি সংস্কার করে প্রয়োজনীয় কর্মী নিয়োগ করা হোক, যাতে সালানপুরের মানুষ তাঁদের প্রাপ্য প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিষেবা ফিরে পান।


বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলালের উদ্যোগে পরিত্যক্ত পূর্ত আবাসনে দুষ্কৃতী ও নেশাখোরদের আড্ডা বন্ধ, তালা লাগাল প্রশাসন, বাড়ল পুলিশি নজরদারি

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর