নয়া জামানা : নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে যাদবপুরের সাংসদ সায়নী ঘোষ। মামলার অন্যতম অভিযুক্ত তাপস মণ্ডলের একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্যের জবাবে এবার আইনি পথে হাঁটলেন তিনি। আইনজীবীর মাধ্যমে তাপস মণ্ডলকে ৫ কোটি টাকার মানহানির নোটিস পাঠিয়েছেন সাংসদ, যাতে সমস্ত মানহানিকর মন্তব্য প্রত্যাহার করার পাশাপাশি নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জবাব না পেলে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
এক সাক্ষাৎকারে তাপস মণ্ডল দাবি করেন, রাজ্যে এমন অনেকে আছেন যাঁরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম করে টাকা তুলেছেন। এর পাশাপাশি তাঁর দাবি, নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত কুন্তল ঘোষ ,সায়নী ঘোষকে ফ্ল্যাট-গাড়িসহ একাধিক সুবিধা পাইয়ে দিয়েছিলেন, কারণ সেই সময় সায়নী যুব সভানেত্রী ও কুন্তল যুব সম্পাদক ছিলেন।
নোটিস পাঠানোর পর সংবাদমাধ্যমে সায়নী ঘোষ বলেন, তাপস মণ্ডল বারবার তাঁকে নিয়ে, তাঁর ফ্ল্যাট কেনা নিয়ে এবং তাঁর রাজনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে ক্যামেরার সামনে ভিত্তিহীন কথা বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করেছেন।তিনি জানান, এই কারণেই ২০২৩ সালে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তাঁকে ডেকে পাঠিয়েছিল, সেখানে তিনি সম্পূর্ণ সহযোগিতা করে ৫০০ পাতার নথি জমা দিয়েছিলেন, কিন্তু তারপর আর কোনও ডাক আসেনি।
সায়নী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, একজন জনপ্রতিনিধি সম্পর্কে যে কেউ ইচ্ছেমতো ভিত্তিহীন মন্তব্য করতে পারেন না। তাপস মণ্ডল জবাব না দিলে বিষয়টি আদালতেই মিটবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে যাদবপুর থেকে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন সায়নী ঘোষ। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পর তিনি দলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দেন এবং পরে লোকসভার অধ্যক্ষের অনুমোদন নিয়ে এনসিপিআই দলে যোগ দেন। এর পরই নিয়োগ দুর্নীতি মামলা ঘিরে তাঁর নাম টেনে তাপস মণ্ডলের মন্তব্য নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
সন্দীপের নামে ইডির প্রথম চার্জশিট. বিপাকে ‘হুইসেল ব্লোয়ার’ আখতারও