শুভজিৎ দাস, রায়গঞ্জ: রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে দুর্গাপুজো আয়োজন নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কে অবশেষে মুখ খুললেন উপাচার্য অর্ণব সেন। তাঁর দাবি, সমস্ত বিষয়টিকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পুজো করছে না, পুজোর আয়োজন করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক বৃন্দ এবং ছাত্রছাত্রীরা।সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন মাঠে এই দুর্গাপুজো উপলক্ষে খুঁটি পুজোর আয়োজন করা হয়। উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে খুঁটি পুজো সম্পন্ন হয়। এরপরই শুরু হবে প্যান্ডেল তৈরির কাজ। এই কর্মসূচিতে ছাত্রছাত্রীদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অর্ণব সেন, পুজো কমিটির সভাপতি অধ্যাপক দিগন্ত বিশ্বাস সহ অন্যান্য অধ্যাপক-অধ্যাপিকা ও অশিক্ষক কর্মচারীরা।
প্রসঙ্গত, ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কীভাবে দুর্গাপুজোর আয়োজন করা যায়, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। এই বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে উপাচার্য বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় এই পুজোর সঙ্গে সরাসরিভাবে যুক্ত নয়। আমরা শুধু পাশে আছি। এই পুজো কোনওভাবেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ধর্মনিরপেক্ষ ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ন করবে না, বরং সম্প্রীতি ও সৌভ্রাতৃত্ব বাড়িয়ে তুলবে।”আর্থিক বিষয়েও তিনি স্পষ্ট করেন যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিল থেকে এই পুজোর জন্য কোনও অর্থ সাহায্য করা হচ্ছে না। সমস্ত খরচ জোগাড় হবে বিভিন্ন স্পনসর এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনুদানে।অন্যদিকে পুজো কমিটির সভাপতি অধ্যাপক দিগন্ত বিশ্বাস জানান, ইতিমধ্যেই কিছু স্পনসর যোগাযোগ করেছেন, তবে সম্পূর্ণ আর্থিক হিসাব এখনও তৈরি হয়নি।উপাচার্য আরও জানান, পুলিশ প্রশাসন এবং দমকল বিভাগের ছাড়পত্র মিললেও মহকুমা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও চূড়ান্ত অনুমতি মেলেনি। তবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে সাংসদ ও বিধায়করা এই উদ্যোগের পাশে রয়েছেন।
শান্তিনিকেতনের হেরিটেজ ওয়াকের টিকিট কালোবাজারি ঠেকাতে তৎপর বিশ্বভারতী