ব্রেকিং
[pj-news-ticker]
  • Home /
  • জেলা /
  • পিলখানায় জঙ্গি হামিমের দোকানের হদিশ! আড়ালে কী চলত মুখ্যমন্ত্রীর উপর নজরদারি?

পিলখানায় জঙ্গি হামিমের দোকানের হদিশ! আড়ালে কী চলত মুখ্যমন্ত্রীর উপর নজরদারি?

নয়া জামানা : অবশেষে হাওড়ার পিলখানা এলাকায় জইশ জঙ্গি হামিম মণ্ডলের দোকানের হদিশ পেলেন তদন্তকারীরা। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, ওই ঠিকানায় জামার ট্যাগ তৈরির কাজ চলত। কিন্তু এই ব্যবসার আড়ালে সত্যিই অন্য কোনও কর্মকাণ্ড চলত কি না, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপর....

পিলখানায় জঙ্গি হামিমের দোকানের হদিশ! আড়ালে কী চলত মুখ্যমন্ত্রীর উপর নজরদারি?

নয়া জামানা : অবশেষে হাওড়ার পিলখানা এলাকায় জইশ জঙ্গি হামিম মণ্ডলের দোকানের হদিশ পেলেন তদন্তকারীরা। প্রাথমিকভাবে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা : অবশেষে হাওড়ার পিলখানা এলাকায় জইশ জঙ্গি হামিম মণ্ডলের দোকানের হদিশ পেলেন তদন্তকারীরা। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, ওই ঠিকানায় জামার ট্যাগ তৈরির কাজ চলত। কিন্তু এই ব্যবসার আড়ালে সত্যিই অন্য কোনও কর্মকাণ্ড চলত কি না, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপর হামলার ছক কষা হচ্ছিল কি না— এই সব প্রশ্নের উত্তর এখন খুঁজছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।

দিন কয়েক আগেই বর্ধমান থেকে গ্রেপ্তার করা হয় জইশ জঙ্গি হামিম মণ্ডলকে। তার সঙ্গে কাশ্মীরের যোগও উঠে এসেছে তদন্তে। মুখ্যমন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজরদারি চলত কি না, লোকদেখানোর জন্যই কি আড়াল করা হয়েছিল ব্যবসার নাম, আর তার ছত্রছায়াতেই কি চলত জঙ্গি কার্যকলাপ— এই সব প্রশ্ন এখন তদন্তকারীদের সামনে। প্রসঙ্গত, হামিম সম্পর্কে এখনও পর্যন্ত যে সমস্ত তথ্য তদন্তকারীদের হাতে এসেছে, তা যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই জানা যাচ্ছে।

গ্রেপ্তারির পর প্রথমে জানা যায়, হামিম হাওড়ার পিলখানা এলাকায় থাকত। কিন্তু ঠিক কোন জায়গায় তার বসবাস, তা দীর্ঘ সময় ধরে অজানাই ছিল। এমনকী পিলখানায় দিনমজুরির কাজ করা স্থানীয় মানুষজনও প্রথমে হামিমকে চিনতে পারেননি বলে জানান। শেষ পর্যন্ত রবিবার সকালে তার ঠিকানা উদ্ধার হয়— পিলখানার আলম মিস্ত্রি লেনের একটি সরু গলি, যেখানে একাধিক ছোট দোকান ও এক-দু’কামরার ফ্ল্যাট রয়েছে। ওই গলির ৭ নম্বর বাড়িতেই ঘাঁটি গেড়েছিল হামিম। ওই বহুতলে ‘গ্যালাক্সি’ নামে একটি গেস্ট হাউসও রয়েছে, পাশাপাশি রয়েছে একাধিক ভাড়া ফ্ল্যাট। একতলার একটি ফ্ল্যাটেই থাকত হামিম।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হামিম ও তার বাবা একসঙ্গে সেখানে থাকতেন। এলাকাবাসীর ধারণা ছিল, সেখানে স্রেফ ব্যবসা চলে। দুটি ঘরের একটিতে জামার ট্যাগ তৈরির মেশিন বসানো ছিল, অন্য ঘরে কম্পিউটারে অফিসের কাজকর্ম হত। হামিমের বাবার নাম মনিরউদ্দিন মণ্ডল। হামিম যে জঙ্গিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল, তা জানতে পেরে হতবাক স্থানীয়রা। ওই বহুতলের মালিকের কথায়, গত দু’বছর ধরে জায়গাটি ভাড়া নেওয়া হয়েছিল— একটি ঘরের ভাড়া ৭ হাজার টাকা, অন্যটির ৪ হাজার টাকা। তবে গত দু’মাস ধরে এলাকায় হামিমকে দেখা যায়নি বলেও জানান তিনি। গ্রেপ্তারির খবর ছড়িয়ে পড়তেই গা ঢাকা দিয়েছে তার বাবাও।

 

স্থানীয় এক ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, যাতায়াতের পথে হামিমের বাবার সঙ্গে তাঁর সামান্য কথাবার্তা হত, তবে ছেলের সঙ্গে কখনও সরাসরি কথা হয়নি। গত দিন দশেকের মধ্যে হামিমের বাবাকেও এলাকায় দেখা যায়নি বলে জানিয়েছেন তিনি। এরপরই প্রশ্ন উঠেছে, ওই ব্যক্তি সত্যিই হামিমের বাবা ছিলেন, নাকি চক্রের অন্য কেউ বাবা পরিচয়ে তার সঙ্গে থাকছিলেন— এই নিয়েও চর্চা শুরু হয়েছে স্থানীয় মহলে।


 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর