নয়া জামানা,কলকাতা : অবসরপ্রাপ্ত সরকারি আধিকারিকদের বিভিন্ন পদে নিয়োগ বাতিল সংক্রান্ত রাজ্য সরকারের সাম্প্রতিক নির্দেশিকাকে কেন্দ্র করে নতুন করে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে চিটফান্ড সংক্রান্ত মামলায় গঠিত বিশেষ কমিটির কার্যক্রমে। এই পরিস্থিতিতে আদালত স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, চিটফান্ড আমানতকারীদের স্বার্থে গঠিত তালুকদার কমিটির কাজ কোনও মতেই ব্যাহত হওয়া উচিত নয়।
উল্লেখ্য, রাজ্য সরকার ১১ মে থেকে পরপর তিনদিন তিনটি নির্দেশিকা জারি করিয়া ষাটোর্ধ্ব অবসরপ্রাপ্ত আধিকারিকদের বিভিন্ন দায়িত্ব হইতে অব্যাহতি প্রদান করে। এর ফলস্বরূপ, হাইকোর্ট নিযুক্ত চিটফান্ড সংক্রান্ত বিশেষ কমিটি, যা সাধারণভাবে তালুকদার কমিটি নামে পরিচিত, কার্যত সমস্যার সম্মুখীন হয়। অভিযোগ, উক্ত কমিটির অন্তত ১১ জন আধিকারিক অবসরপ্রাপ্ত হওয়ায় তাঁদের নিয়োগ বাতিলের ফলে কমিটির কাজকর্ম বাধাপ্রাপ্ত হয়।
এই বিষয়ে আমানতকারীদের পক্ষের আইনজীবী অরিন্দম দাস আদালতে জানান, বহু গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা অবসরপ্রাপ্ত আধিকারিকদের অপসারণের ফলে কমিটির কার্যকারিতা বিঘ্নিত হইয়াছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, উক্ত কমিটিতে জেলা জজ পদ হইতে অবসরপ্রাপ্ত একাধিক আধিকারিকও নিযুক্ত ছিলেন অতএব তাঁহারা রাজ্যের নির্দেশিত অবসরপ্রাপ্ত শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত কি না, তাহাও বিবেচনার বিষয়।
উক্ত মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয় কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে কলকাতা হাইকোর্ট। তবে এদিন রাজ্যের পক্ষ হইতে কোনও আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।
আইনজীবীদের বক্তব্য অনুযায়ী, আদালত সরাসরি কঠোর নির্দেশ প্রদান না করিলেও অনুরোধের সুরে রাজ্য সরকারকে জানিয়াছে, তালুকদার কমিটির কার্যক্রম যেন কোনও অবস্থাতেই বন্ধ না হয়, তাহা নিশ্চিত করিতে হইবে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, আমানতকারীদের স্বার্থে চলমান প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখা অত্যন্ত জরুরি।
এই প্রসঙ্গে আইনজীবী অরিন্দম দাস আরও জানান, রাজ্য সরকারের দ্রুত জারি করা একাধিক নির্দেশিকার ফলে যথাযথ পর্যালোচনার অভাবে প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টি হইয়াছে। সেই কারণেই বিষয়টি আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণের প্রয়োজন হয়।
জামুড়িয়ায় প্রাক্তন কাউন্সিলারের বাড়ির অদূরে উদ্ধার একাধিক আধার কার্ড – তদন্তের দাবি বিজেপি নেতার