• Home /
  • মহানগর /
  • শ্যামাপ্রসাদের বাংলায় ফুটল পদ্ম, ‘এই জয় হিন্দুত্বের’, বললেন শুভেন্দু

শ্যামাপ্রসাদের বাংলায় ফুটল পদ্ম, ‘এই জয় হিন্দুত্বের’, বললেন শুভেন্দু

টিঙ্কু দত্ত 0 নয়া জামানা: দুশো পার বিজেপির । হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন, এবার দুশো পার করল বিজেপি । যেই স্লোগান একুশে উঠেছিল এবার তা সত্যি হল । এক্কেবারে ২০৬ টি আসন পেল বিজেপি । মাত্র ৭৮ টি আসনে আটকে গেল....

শ্যামাপ্রসাদের বাংলায় ফুটল পদ্ম, ‘এই জয় হিন্দুত্বের’, বললেন শুভেন্দু

টিঙ্কু দত্ত 0 নয়া জামানা: দুশো পার বিজেপির । হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন, এবার দুশো পার করল....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


টিঙ্কু দত্ত 0 নয়া জামানা: দুশো পার বিজেপির । হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন, এবার দুশো পার করল বিজেপি । যেই স্লোগান একুশে উঠেছিল এবার তা সত্যি হল । এক্কেবারে ২০৬ টি আসন পেল বিজেপি । মাত্র ৭৮ টি আসনে আটকে গেল টিএমসি। অবশেষে পালাবদল, শেষরক্ষা হল না । পরিবর্তন হল রাজ্যে । পনেরো বছরের তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটিয়ে নীল-সাদা প্রাসাদে এবার গেরুয়া আবির। সোমবার দুপুরে গণনার ট্রেন্ড স্পষ্ট হতেই নিশ্চিত হয়ে যায়, লাল দুর্গ ধসে যাওয়ার ঠিক দেড় দশক পরে ফের পালাবদল দেখল বাংলা। নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহের হাত ধরে ‘অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গ’ জয়ের যে শপথ বিজেপি নিয়েছিল, ওড়িশা ও বিহারের পর এবার বাংলার মসনদ দখলের মাধ্যমে সেই বৃত্ত সম্পূর্ণ হল। ভবানীপুরের ঘরের মাঠে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১৫ হাজার ১০৫ ভোটে পরাজিত হলেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হারের পর কমিশনের বিরুদ্ধে ‘ভোট লুঠ’ ও ‘অনৈতিক জয়ের’ বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে মমতা জানিয়েছেন, ‘উই উইল বাউন্স ব্যাক’। তবে দিনভর টানটান উত্তেজনার পর স্পষ্ট হয়ে গেল, আগামী পঁচিশে বৈশাখ তথা ৯ মে বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছে বিজেপি। ১৯৫১ সালে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের হাত ধরে যে ভারতীয় জনসঙ্ঘের যাত্রা শুরু হয়েছিল, তার আদর্শে বিশ্বাসী দল দীর্ঘ ৭৫ বছর অপেক্ষার পর বাংলার শাসনক্ষমতায় বসার সুযোগ পেল।

ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। সকালেই দক্ষিণ কলকাতার সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুলের গণনাকেন্দ্রে পৌঁছেছিলেন মমতা। কিন্তু বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরাজয় নিশ্চিত বুঝে বেরিয়ে আসার সময় তিনি ক্ষোভ উগরে দেন। মমতার দাবি, ‘বিজেপি অনৈতিক কায়দায় জিতেছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচন কমিশন যা করেছে তা অনৈতিক এবং অবৈধ। একশোর বেশি আসন লুঠ করেছে। আমাদের জোর করে হারিয়ে দিয়েছে।’ এমনকি ভিতরে তাঁকে ‘লাথি মারা হয়েছে’ বলেও মারাত্মক অভিযোগ করেন তিনি। যদিও জয়ের শংসাপত্র হাতে নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী সম্পূর্ণ ভিন্ন মেজাজে ছিলেন। তাঁর কথায়, ‘আমাকে জিতিয়েছেন ভবানীপুরের হিন্দু, জৈন, শিখ সমাজ। আমি তাঁদের প্রণাম জানাই। এ জয় হিন্দুত্বের জয়, বাংলার জয়, মোদীজির জয়।’ নিজের এই জয়কে তিনি পশ্চিমবঙ্গে প্রাণ উৎসর্গ করা ৩০০ বিজেপি কর্মীর প্রতি উৎসর্গ করেন। ভবানীপুরে জয়ের পর তিনি নিজের গড় নন্দীগ্রামের দিকে রওনা দেন, যদিও সেখানে তাঁর জয়ের ব্যবধান ছিল ১০ হাজারের কম। নন্দীগ্রামে কেন জয়ের ব্যবধান কমল, সেই প্রশ্নে শুভেন্দু সাফ জানান, ‘সংখ্যালঘুদের ভোট না পাওয়ার কারণেই নন্দীগ্রামে জয়ের মার্জিন কম হয়েছে।’

বাংলার এই ফল দিল্লির রাজনীতিতেও বড় প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিরোধী দলগুলি আশা করেছিল, বাংলায় বিজেপিকে আটকানো গেলে তার প্রভাব পড়বে সারা দেশে। কিন্তু মোদী-শাহের নিখুঁত রণকৌশলে সেই আশা বাস্তবায়িত হয়নি। জয়ের খবর নিশ্চিত হতেই এক্স হ্যান্ডেলে বাংলার কর্মীদের অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সন্ধ্যায় বিজেপির সদর দপ্তরে প্রধানমন্ত্রী হাজির হন তসরের পাঞ্জাবি ও ময়ূরপুচ্ছ ধুতি পরে, যা ছিল নজরকাড়া। তাঁকে স্বাগত জানান দলের সভাপতি নীতিন নবীন। ১৯৭২ সালের পর এই প্রথম কেন্দ্রে ক্ষমতায় থাকা কোনও দল রাজ্যেও সরকার গড়ল। দৃশ্যত এই মুহূর্তটি ২০১১ সালের সেই দিনটির কথা মনে করিয়ে দেয়, যখন আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য পরাজিত হয়ে সদর দপ্তরে বসেছিলেন। তখন মিছিল থেকে স্লোগান উঠেছিল ‘সিপিএম মরে গেল’। আজ সেই একই দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি যেন কালীঘাটের বাড়ির সামনে, যেখানে ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনি দিয়ে যুবকরা পৌঁছে গিয়েছিলেন।

তৃণমূলের এই পরাজয়ের নেপথ্যে একাধিক কারণ দেখছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। একদিকে ছিল তীব্র প্রতিষ্ঠান বিরোধিতা বা অ্যান্টি-ইনকাম্বেন্সি, অন্যদিকে মমতার তৈরি করা বিভিন্ন ভাতার পাল্টা ‘মাস্টারস্ট্রোক’ দিয়েছিল বিজেপি। দলের ১৫ দফার ‘সংকল্পপত্রে’ মহিলাদের জন্য মাসে ৩০০০ টাকা আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তৃণমূলের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকে ম্লান করে দিয়েছিল গেরুয়া শিবির। সঙ্গে ছিল অভিন্ন দেওয়ানি বিধি এবং সরকারি চাকরিতে মহিলাদের ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণের প্রতিশ্রুতি। অমিত শাহের ঘোষিত এই সংকল্পপত্রে দুর্নীতি, অনুপ্রবেশ এবং সিন্ডিকেট রাজের অবসান ঘটানোর যে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, মানুষ তাতেই আস্থা রেখেছেন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এ ছাড়াও অবিবাহিত ছাত্রীদের এককালীন ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি কন্যাশ্রীর মোকাবিলা করতে সাহায্য করেছে বিজেপিকে। মহিলাদের জন্য বিনামূল্যে সরকারি পরিবহণে যাতায়াতের সুবিধাও ভোটারদের টানে।

বাংলার এই ঐতিহাসিক পতনে ধরাশায়ী হয়েছেন তৃণমূলের একঝাঁক হেভিওয়েট মন্ত্রী। শশী পাঁজা, স্বপন দেবনাথ, সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী, অরূপ বিশ্বাস, মলয় ঘটক, সন্ধ্যারানি টুডু, বীরবাহা হাঁসদা এবং সুজিত বসুর মতো নেতারা পরাজিত হয়েছেন। তবে শুধু তৃণমূল নয়, ধাক্কা খেয়েছে কংগ্রেসও। বহরমপুরের নিজের খাসতালুকে বিজেপি প্রার্থী সুব্রত মৈত্রের কাছে ১৭ হাজারেরও বেশি ভোটে হেরে গিয়েছেন বর্ষীয়ান নেতা অধীর চৌধুরী। মালদহের মালতীপুর থেকে হেরেছেন মৌসম বেনজিরও। উত্তরবঙ্গে নিজেদের দাপট বজায় রাখার পাশাপাশি এবার দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতেও থাবা বসিয়েছে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী মোদী প্রচারের সময় যে পূর্বাভাস দিয়েছিলেন যে তৃণমূল অনেক জেলায় খাতা খুলতে পারবে না, ফলাফল ঠিক সেই পথেই হেঁটেছে। কলকাতা, হাওড়া, দুই চব্বিশ পরগনার ফল তৃণমূলের জন্য ছিল চরম বিপর্যয়ের।

রাজ্যের বাম শিবির অবশ্য এই ফলকে তৃণমূলের অপশাসনের ফসল হিসেবেই দেখছে। সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম এক লিখিত বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ‘পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল থেকে স্পষ্ট হচ্ছে তৃণমূলের সীমাহীন দুর্নীতি, স্বৈরাচারী রাজত্ব, অপশাসনের বিরুদ্ধে মানুষ রায় দিয়েছেন। রাজ্যের জনগণ তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের পতন চেয়েছেন। এই ক্ষোভের ফয়দা তুলেছে বিজেপি।’ তাঁর অভিযোগ, সাম্প্রদায়িক মেরুকরণ এবং কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে ব্যবহার করে রাজ্যে একটি ভীতির আবহাওয়া তৈরি করা হয়েছিল। কংগ্রেসের সঙ্গে সমঝোতা না হওয়াকেও বিজেপির উত্থানের অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন তিনি। তবে দীর্ঘ সময় পর বিধানসভায় এবার বাম বিধায়করা থাকছেন, যা আন্দোলনের নতুন জমি তৈরি করবে বলে সেলিমের দাবি। তিনি আরও আহ্বান জানান যাতে কোনও রাজনৈতিক হিংসা বা সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের চেষ্টা না হয়।

ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অশান্তির খবর আসতে শুরু করেছে। উত্তর থেকে দক্ষিণ— সর্বত্রই তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। বারাসত পুরসভার চেয়ারম্যানের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। বহু জায়গায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও হেস্টিংসের গণনাকেন্দ্রে যাওয়ার সময় ‘চোর চোর’ স্লোগান শুনতে হয়েছে। অভিষেক প্রার্থী না হওয়ায় কমিশন তাঁকে গণনাকেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। যদিও রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য নির্বাচনের প্রচার শেষে শান্তির বার্তা দিয়েছিলেন এবং কারও মনে আঘাত দিয়ে থাকলে ক্ষমাও চেয়ে নিয়েছিলেন, তবুও ফল প্রকাশের পর উত্তাপ কমেনি। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, তৃণমূলের প্রতি সাধারণ মানুষের ‘ঘোর অবিশ্বাস’ থেকেই এই পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে।

বিজেপি নেতৃত্বের একাংশ মনে করছেন, মানুষ তৃণমূলের ওপর অত্যন্ত ক্ষিপ্ত ছিলেন। ১৫ বছরের শাসনের ‘দুঃস্বপ্ন’ ঘুচিয়ে বিকাশের পথে হাঁটার স্বপ্নই মানুষকে পদ্ম শিবিরে টেনেছে। শাহ বলেছিলেন, ‘এটা আইনের শাসনের ভরসা। সোনার বাংলা তৈরি করব আমরা।’ সেই ভরসার ওপর ভিত্তি করেই মানুষ পাঁচ বছরের জন্য বিজেপিকে সুযোগ দিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বিজেপি বলছে এটি জনতার রায়। পরাজিত হয়েও মমতা লড়াই ছাড়েননি, তাঁর ‘সূর্য অস্ত গেলে আপনারা জিতবেন’ নির্দেশ শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কর্মীদের উজ্জীবিত রাখার চেষ্টা করলেও বাস্তব চিত্র ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে যেমন প্রশ্ন উঠছে, তেমনই বিজেপি সরকারের সামনে এখন বিশাল চ্যালেঞ্জ। ভাতার যে পাহাড়প্রমাণ প্রতিশ্রুতি তাঁরা দিয়েছেন, তা পূরণ করার পাশাপাশি রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার উন্নতি করা এখন তাঁদের প্রধান কাজ। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাংলায় তাঁর আদর্শের সরকার প্রতিষ্ঠা পাওয়ায় খুশি দিল্লির নেতৃত্ব। কিন্তু বিরোধীদের মতে, সাম্প্রদায়িক মেরুকরণ আর কেন্দ্রীয় শক্তির অপব্যবহারই এই জয়ের মূল ভিত্তি। সব মিলিয়ে বাংলার রাজনীতিতে এখন বসন্তের আবহে পদ্মবনের জয়জয়কার। এই পরিবর্তনের প্রভাব যে সারা দেশে পড়বে, তা বলাই বাহুল্য। তৃণমূলের ‘মাস্টারস্ট্রোক’কে বিজেপির ‘সংকল্পপত্র’ যেভাবে টেক্কা দিল, তা আগামী দিনের ভারতীয় রাজনীতিতে এক নতুন আলোচনার জন্ম দেবে। সোনার বাংলা গড়ার যে স্বপ্ন মোদী-শাহ দেখিয়েছেন, তা আগামী পাঁচ বছরে কতটা বাস্তবায়িত হয়, সেদিকেই তাকিয়ে আপামর ভারতবাসী। বাংলা আজ এক নয়া ভোরের অপেক্ষায়, যেখানে শাসনের গদি বদলেছে, বদলেছে রাজনৈতিক সমীকরণও। এখন আজ নতুন সূর্যোদয় দেখবে রাজ্য।

উত্তেজনা ও উল্লাসের মাঝে এখন একটাই সুর— বাংলা আজ গেরুয়া। জয় শ্রী রাম স্লোগানে মুখরিত চারপাশ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘বাউন্স ব্যাক’ করার ডাক সমর্থকদের মনে কিছুটা আশা জাগালেও, ক্ষমতা থেকে চ্যুত হওয়ার যন্ত্রণা এখন তৃণমূল শিবিরের অন্দরে স্পষ্ট। বামেদের পরাজয় আর বিজেপির উত্থান— সব মিলিয়ে বাংলার ইতিহাস আজ এক নতুন অধ্যায় লিখল। শ্যামাপ্রসাদের স্বপ্নের বাংলা আজ তাঁর অনুগামীদের হাতে। মোদী-শাহ জুটি আবারও প্রমাণ করলেন, সঠিক কৌশল আর মানুষের মনের নাগাল পেতে পারলে অসাধ্য সাধন সম্ভব। বাংলার মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়ে তৃণমূলের পনেরো বছরের জমানার ইতি টেনে দিলেন। এখন দেখার, বিজেপির শাসনকালে বাংলা কতটা ‘সোনার বাংলা’ হয়ে ওঠে।

পরাজয় মেনে না নিলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে এখন কঠিন সময়। অন্যদিকে শুভেন্দু অধিকারীর জয় কেবল হিন্দুত্বের জয় নয়, বরং রাজনৈতিক কৌশলেরও জয়। উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের এই মেলবন্ধন বিজেপিকে যে শক্তি জোগালো, তা আগামী লোকসভা নির্বাচনেও বড় অস্ত্র হবে। বাংলার রাজনীতিতে আজ শুরু হল এক নতুন সরকারের যাত্রা। ১৫ বছর পর বাংলা দেখল এক নতুন রঙ, নতুন স্লোগান আর নতুন নেতৃত্বের জয়গান। মোদী-শাহের নেতৃত্বে ‘অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গ’ জয়ের বৃত্ত আজ সাফল্যের সাথে পূর্ণ হল। শ্যামাপ্রসাদের জন্মভূমিতে এই জয় তাই বিজেপির কাছে কেবল ক্ষমতা দখল নয়, বরং এক দীর্ঘ লড়াইয়ের সার্থকতা। বাংলার মসনদে এখন পদ্মের রাজত্ব। ফাইল ফটো।


 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর