ব্রেকিং
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • অকাল বৃষ্টিতে জলমগ্ন বোরো ধানের জমি: মাথায় হাত প্রান্তিক চাষীদের, বাড়ছে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা!

অকাল বৃষ্টিতে জলমগ্ন বোরো ধানের জমি: মাথায় হাত প্রান্তিক চাষীদের, বাড়ছে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা!

রবিন মুরমু, নয়া জামানা, দক্ষিণ দিনাজপুর: বেশ কয়েকদিন ধরে অনবরত টানা বৃষ্টিতে বোরো ধানের জমিতে দাঁড়িয়ে পড়ল বৃষ্টির জল। মাঠ থেকে বোরো ধান বাড়িতে তোলার আগের মুহূর্তে প্রকৃতির খামকিয়ালীপনায়, আগাম বর্ষায় বিপাকে পড়েছেন বোরো ধান চাষ চাষী কৃষকেরা।দীপক মোহন্ত, জয়ন্ত....

অকাল বৃষ্টিতে জলমগ্ন বোরো ধানের জমি: মাথায় হাত প্রান্তিক চাষীদের, বাড়ছে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা!

রবিন মুরমু, নয়া জামানা, দক্ষিণ দিনাজপুর: বেশ কয়েকদিন ধরে অনবরত টানা বৃষ্টিতে বোরো ধানের জমিতে দাঁড়িয়ে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


রবিন মুরমু, নয়া জামানা, দক্ষিণ দিনাজপুর: বেশ কয়েকদিন ধরে অনবরত টানা বৃষ্টিতে বোরো ধানের জমিতে দাঁড়িয়ে পড়ল বৃষ্টির জল। মাঠ থেকে বোরো ধান বাড়িতে তোলার আগের মুহূর্তে প্রকৃতির খামকিয়ালীপনায়, আগাম বর্ষায় বিপাকে পড়েছেন বোরো ধান চাষ চাষী কৃষকেরা।দীপক মোহন্ত, জয়ন্ত হেমরমের এবং নরেন পাহারা বলেন যে বৈশাখ মাসের প্রথম এবং দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই বাড়িতে বোরো ধান তোলার উপর জোর দেওয়া হয়। কিন্তু হঠাৎ করেই গত কয়েকদিন ধরে লাগাতার বৃষ্টিতে জমিতে দাঁড়িয়ে পড়ল আগাম বর্ষার বৃষ্টির জল। কোথাও কোথাও আড়াই ফুট থেকে তিন ফুট পর্যন্ত এমনকি; কোথাও আবার সম্পূর্ণ ধানের জমি বর্ষার জলের তলায় চলে গেছে বলে অভিযোগ কৃষকদের। ধান তোলার আগের মুহূর্তে প্রকৃতির এমন খামখেয়ালীপনায় মাথায় হাত পড়েছে কৃষকদের। মাঠ থেকে বোরো ধান কিভাবে বাড়িতে তুলবেন, এ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন বোরো ধান চাষী এবং কৃষির ওপর নির্ভরশীল প্রান্তিক কৃষকেরা। হিলি, বালুরঘাট, ত্রিমোহিনী এবং পতিরাম রুটের অধিকাংশ এলাকা জুড়ে নয়ানজুলির ধার গুলি কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা ব্যক্তিগত স্বার্থে মাটি দিয়ে বন্ধ করে দেওয়ায় নিষ্কাশন হতে পারছে না মাঠে দাঁড়িয়ে থাকা জলগুলি। মাঠের পেকে যাওয়া বোরো ধান গুলি এবারই হয়তো মাঠেই থেকে যাবে, এমনটাই আশঙ্কা করছেন অধিকাংশ কৃষকেরা। বিশেষ করে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি ব্লকের লালপুর, বসন্তা চকমহন, মুলাহাট, কলাইবাড়ি, বিনসিরা, নসিরপুর, জঙ্গিপুর, মহিষনোটা, রামজীবনপুর জামালপুর, মানিকপুর সহ হিলি ব্লকের অধিকাংশ এলাকা জুড়ে লাগানো হয়েছে এই বোরো ধান। এই এলাকাগুলিতে জল নিষ্কাশনের ড্রেন গুলি বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণেই জমিতে দাঁড়িয়ে পড়েছে বৃষ্টির জল। এই প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে হিলি ব্লকের কৃষি দপ্তরের আধিকারিক সুদীপ সরকার বলেন যে, বিভাগীয় দপ্তরের পক্ষ থেকে বিষয়টির প্রতি নজর রাখা হচ্ছে। এই মুহূর্তে হিলি ব্লকের কোথাও কোনো ধানের জমি জলের তলায় ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটেনি। কিছু কিছু জায়গায় জল নিষ্কাশনের অভাবে কিছু বড়ো ধরনের জমিতে বৃষ্টির জল দাঁড়িয়ে পড়েছে। সেইসব এলাকা থেকে প্রান্তিক কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত বোরো ধানে জমি থেকে জল নিষ্কাশনের জন্য ড্রেনগুলি পরিষ্কার করে দিলেই জল জমি থেকে বেরিয়ে যাবে। তাতে কোন অসুবিধা হবে না। তবুও কৃষি দপ্তরের পক্ষ থেকে হিলি ব্লকের কোনো কৃষকেরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হন সেই বিষয়ে প্রতিদিন ফিল্ড ওয়ার্ক করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন হিলি ব্লকের কৃষি দপ্তরে আধিকারিক সুদীপ সরকার। তিনি আরো বলেন যে, কিছু কিছু জমিতে ছত্রাক জনিত সমস্যা রয়েছে। সেইসব জমিতে ছত্রাক ধ্বংসের জন্য ঔষধ প্রয়োগ করে দিলে অনেকটাই ধান সবল হয়ে উঠবে বলে তিনি জানান।


জল না পেয়ে হাহাকার, প্রার্থীর প্রচারে চোখের জলে প্রতিবাদ বৃদ্ধের

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর