• Home /
  • দেশ /
  • জামিন পেলেন আই-প্যাক কর্তা

জামিন পেলেন আই-প্যাক কর্তা

নয়া জামানা ডেস্ক: ভোটের উত্তাপের মাঝেই কারামুক্ত হলেন ভোটকুশলী সংস্থা আই-প্যাকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা বিনেশ চান্দেল। দিল্লির পটিয়ালা হাউজ কোর্ট বৃহস্পতিবার তাঁর জামিন মঞ্জুর করেছে। ঘটনাচক্রে, পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফার ভোট মিটতেই এই নির্দেশ এল। সবথেকে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট....

জামিন পেলেন আই-প্যাক কর্তা

নয়া জামানা ডেস্ক: ভোটের উত্তাপের মাঝেই কারামুক্ত হলেন ভোটকুশলী সংস্থা আই-প্যাকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা বিনেশ চান্দেল। দিল্লির....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা ডেস্ক: ভোটের উত্তাপের মাঝেই কারামুক্ত হলেন ভোটকুশলী সংস্থা আই-প্যাকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা বিনেশ চান্দেল। দিল্লির পটিয়ালা হাউজ কোর্ট বৃহস্পতিবার তাঁর জামিন মঞ্জুর করেছে। ঘটনাচক্রে, পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফার ভোট মিটতেই এই নির্দেশ এল। সবথেকে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) আদালতে বিনেশের জামিনের আবেদনের কোনো বিরোধিতা করেনি। আর্থিক তছরুপের মামলায় গত ১৩ এপ্রিল তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। পটিয়ালা হাউজ কোর্টের বিচারক অমিত বনসল জামিন দেওয়ার সময় স্পষ্ট জানান, ‘বিশেষ সরকারি আইনজীবীকে জামিনের বিরোধিতা করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি তা করেননি।’ এর আগে মঙ্গলবার বিনেশের অন্তর্বর্তী জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে গিয়েছিল। ১০ দিনের ইডি হেফাজত শেষে গত ২৩ এপ্রিল তাঁকে জেল হেফাজতে পাঠানো হয়। কেন্দ্রীয় সংস্থার নমনীয় মনোভাবে অবশেষে বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর মুক্তির পথ প্রশস্ত হয়। দিল্লি পুলিশের একটি এফআইআর-এর সূত্র ধরে বিনেশের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনে মামলা শুরু করেছিল ইডি। কেন্দ্রীয় সংস্থার দাবি অনুযায়ী, বিনেশ আই-প্যাকের ৩৩ শতাংশের অংশীদার। এই মামলার তদন্তে গত ৮ জানুয়ারি কলকাতায় আই-প্যাকের দফতর এবং সংস্থার অন্য পরিচালক প্রতীক জৈনের বাড়িতে হানা দিয়েছিল ইডি। সেই সময় খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তল্লাশি চলাকালীন প্রতীকের বাড়িতে হাজির হন। অভিযোগ ওঠে, মুখ্যমন্ত্রী সেখান থেকে ল্যাপটপ ও ফাইল সরিয়ে এনেছিলেন। ওই ঘটনা নিয়ে জল গড়িয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। ভোটের আবহে ইডি-র এই ‘মৌন’ সম্মতি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে। কেন কেন্দ্রীয় সংস্থা হঠাৎ বিনেশের জামিনের বিরোধিতা থেকে সরে দাঁড়াল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তবে আপাতত আইনি জট কাটিয়ে জেলের বাইরে পা রাখছেন আই-প্যাকের এই দাপুটে কর্তা। রাজ্য রাজনীতির সমীকরণে এই জামিন বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। আদালতের সিলমোহরে দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর বিনেশ এখন মুক্ত। ইডির নমনীয় অবস্থানই শেষ পর্যন্ত তাঁর পক্ষে চাবিকাঠি হিসেবে কাজ করল। বিনেশের হাত ধরেই আই-প্যাকের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে এখন কৌতুহল বাড়ছে রাজনৈতিক মহলে। আদতে আর্থিক কেলেঙ্কারির এই মামলার ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়েই এখন জল্পনা। ছবিতে আই-প্যাকের অন্যতম ডিরেক্টর বিনেশ চান্দেল ।


‘চাকরি গেলে আমরা দেব’ : মমতা প্রস্তুত আই-প্যাকের ’বিকল্প বাহিনী’

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর