ব্রেকিং
  • Home /
  • মহানগর /
  • কমিশনের কোপে বাংলার শীর্ষ আধিকারিকরা, বদলিতে স্থগিতাদেশের আর্জিতে কোর্টে কল্যাণ

কমিশনের কোপে বাংলার শীর্ষ আধিকারিকরা, বদলিতে স্থগিতাদেশের আর্জিতে কোর্টে কল্যাণ

নয়া জামানা ডেস্ক : নির্বাচন ঘোষণার পর থেকে বাংলায় আইএএস এবং আইপিএস আধিকারিকদের গণ বদলি নিয়ে এবার আইনি লড়াই শুরু হল। রাজ্যের সঙ্গে আলোচনা না করেই একের পর এক শীর্ষ আধিকারিককে সরিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন বর্ষীয়ান....

কমিশনের কোপে বাংলার শীর্ষ আধিকারিকরা, বদলিতে স্থগিতাদেশের আর্জিতে কোর্টে কল্যাণ

নয়া জামানা ডেস্ক : নির্বাচন ঘোষণার পর থেকে বাংলায় আইএএস এবং আইপিএস আধিকারিকদের গণ বদলি নিয়ে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা ডেস্ক : নির্বাচন ঘোষণার পর থেকে বাংলায় আইএএস এবং আইপিএস আধিকারিকদের গণ বদলি নিয়ে এবার আইনি লড়াই শুরু হল। রাজ্যের সঙ্গে আলোচনা না করেই একের পর এক শীর্ষ আধিকারিককে সরিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন বর্ষীয়ান আইনজীবী তথা তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এই সিদ্ধান্তের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়েছেন তিনি। আগামী সোমবার এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশের রাত থেকেই নজিরবিহীন সক্রিয়তা দেখিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব থেকে শুরু করে রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনারকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাদ যাননি মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান বা জলপাইগুড়ির মতো গুরুত্বপূর্ণ রেঞ্জের ডিআইজি-রাও। কমিশনের যুক্তি, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটের স্বার্থেই এই রদবদল। কিন্তু শাসকদলের অভিযোগ, এই পদক্ষেপ সম্পূর্ণ ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’। আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, রাজ্যের প্রশাসনিক কর্তাদের এভাবে ভিনরাজ্যে পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠিয়ে দেওয়ায় বাংলার স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে। কমিশনের এই একতরফা অধিকার নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন।

এই ইস্যুতে প্রথম থেকেই সরব মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সরাসরি বিজেপি এবং কমিশনকে একযোগে আক্রমণ শানিয়েছেন। মঙ্গলবার প্রার্থী ঘোষণার মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘বাংলাকে টার্গেট করা হচ্ছে।’ তাঁর কথায়, ‘আপনাদের অনেক পরিকল্পনা, অনেক চক্রান্ত আছে। কিন্তু মনে রাখবেন, যাদের বদলি করেছেন, সবাই আমাদের অফিসার। বিজেপির জেতার সম্ভাবনা নেই। এসআইআর, গ্যাসের লাইনে দাঁড় করিয়ে মানুষকে হেনস্তা করা! নিজেরা বেলাইন হয়ে যাবেন। এটা বাংলা অস্মিতা রক্ষা, বাঙালি অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। এই লড়াইয়ে বাংলা, বাংলার মা-মাটি-মানুষ জিতবে। দিল্লি কা লাড্ডু জিতবে না। আমাদের হাত থেকে ম্যান পাওয়ার কাড়তে পারেননি। ভোট মানুষ দেয়, মনে রাখবেন।’

মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে কড়া চিঠি দিয়েছেন। এ বার সেই ক্ষোভের আঁচ পৌঁছাল আদালতের এজলাসে। আইনজীবী অর্ক নাগ এই মর্মে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়েরের অনুমতি চাইলে আদালত তা মঞ্জুর করেছে। মামলায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে ব্যক্তিগতভাবে পার্টি করার আবেদনও জানানো হয়েছে। শুক্রবার হাই কোর্টে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সওয়াল করেন, রাজ্যের পুলিশ ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্তাদের এভাবে অন্য রাজ্যে পাঠানোর একচ্ছত্র অধিকার কমিশনের নেই। রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া এই বদলি প্রক্রিয়া বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত জারি ছিল। যাঁদের সরানো হয়েছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচনের কোনও দায়িত্বে রাখা যাবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছে কমিশন। কমিশনের এই অতি-সক্রিয়তা নিয়ে আইনি লড়াই এখন কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।


 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর