ব্রেকিং
[pj-news-ticker]
  • Home /
  • কলকাতা /
  • মুখ্যমন্ত্রীই টার্গেট, যন্তর মন্তরেও নাশকতার ছক ছিল জইশ জঙ্গি হামিমের! বিস্ফোরক তথ্য দিল এসটিএফ

মুখ্যমন্ত্রীই টার্গেট, যন্তর মন্তরেও নাশকতার ছক ছিল জইশ জঙ্গি হামিমের! বিস্ফোরক তথ্য দিল এসটিএফ

নয়া জামানা : পূর্ব বর্ধমানের রেনেসাঁ আবাসন থেকে ধৃত জইশ-ই-মহম্মদ সন্দেহভাজন জঙ্গি হামিম মণ্ডল-কাণ্ডে বড় অগ্রগতি হল রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের হাতে। শনিবার হামিমের বান্ধবী অর্পিতা সরকারকে ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করে এসটিএফের একটি বিশেষ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা....

মুখ্যমন্ত্রীই টার্গেট, যন্তর মন্তরেও নাশকতার ছক ছিল জইশ জঙ্গি হামিমের! বিস্ফোরক তথ্য দিল এসটিএফ

নয়া জামানা : পূর্ব বর্ধমানের রেনেসাঁ আবাসন থেকে ধৃত জইশ-ই-মহম্মদ সন্দেহভাজন জঙ্গি হামিম মণ্ডল-কাণ্ডে বড় অগ্রগতি....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা : পূর্ব বর্ধমানের রেনেসাঁ আবাসন থেকে ধৃত জইশ-ই-মহম্মদ সন্দেহভাজন জঙ্গি হামিম মণ্ডল-কাণ্ডে বড় অগ্রগতি হল রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের হাতে। শনিবার হামিমের বান্ধবী অর্পিতা সরকারকে ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করে এসটিএফের একটি বিশেষ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় । একই দিনে বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক করে এসটিএফের আইজি গৌরব শর্মা তদন্তের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আনেন।

এসটিএফের দাবি, হামিমের মূল টার্গেট ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে শুধু তিনিই নন, হাওড়ার উত্তরের বিধায়ক তথা পুর প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাইও ছিলেন হামিমের নিশানায়। তদন্তকারীদের দাবি, মন্ত্রীর ছেলেকে হানিট্র্যাপের মাধ্যমে ফাঁদে ফেলে অপহরণের বড়সড় পরিকল্পনা করা হয়েছিল । এই পরিকল্পনার অন্যতম কারিগর ছিলেন অর্পিতা নিজেও— ইনস্টাগ্রামে পরিচয়ের পর ধীরে ধীরে হামিমের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ওঠে তাঁর, এবং সেই সূত্রেই জঙ্গি কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়েন তিনি।

তদন্তে উঠে এসেছে পাকিস্তান-যোগও। এসটিএফের বক্তব্য, হামিমের মোবাইল, ল্যাপটপ, সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট ও বিভিন্ন এনক্রিপ্টেড চ্যাট বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, পাকিস্তান থেকে পরিচালিত একাধিক হ্যান্ডলারের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। রানা, আবিদ, হাবিব ও শেহজাদ নামে পরিচিত কয়েকজন হ্যান্ডলারের মাধ্যমে এই যোগাযোগ চলত বলে দাবি এসটিএফের, এবং তারা শেহজাদ ভাট্টি চক্রের সঙ্গে যুক্ত বলেও অভিযোগ। হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম, ইনস্টাগ্রামের পাশাপাশি বিদেশি সিমকার্ড ব্যবহার করেও যোগাযোগ চলত বলে জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা।

আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য হল দিল্লি-সংযোগ। এসটিএফের দাবি, দিল্লির যন্তর মন্তরে চলা ছাত্র আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে পুলিশের পোশাক পরে সেখানে ঢুকে নাশকতার ছক কষা হয়েছিল, এবং সেই লক্ষ্যে আরও কয়েকজন যুবককে দলে টানার চেষ্টাও চলছিল। ১৫ অগস্টকে কেন্দ্র করে কোনও নাশকতার পরিকল্পনা ছিল কি না, তা-ও গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে ।

মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগজনক তথ্য মিলেছে। শুক্রবার নবান্নে ঘটনাটিকে অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও জাতীয় নিরাপত্তার বিষয় বলে উল্লেখ করেন শুভেন্দু অধিকারী নিজেই, আর জানা যায় যে তাঁর প্রতিদিনের সফরসূচি, বাসভবন থেকে বেরনোর সময়, কনভয়ের গাড়ি পার্কিংয়ের অবস্থান ও গন্তব্যস্থল সংক্রান্ত তথ্যও উদ্ধার হয়েছিল ধৃতের কাছ থেকে।

এসটিএফ জানিয়েছে, হামিমের মাধ্যমে যুবকদের উগ্রপন্থায় প্রভাবিত করা, অস্ত্র পাচার, নাশকতার পরিকল্পনা এবং ‘ব্রেনওয়াশ’-এর মতো কর্মকাণ্ড চালানোর চেষ্টা হচ্ছিল, এবং হামিমের তৈরি নেটওয়ার্কে যুক্ত আরও কয়েকজন বর্তমানে পলাতক, যাঁদের খোঁজে তল্লাশি চলছে । হামিমের আর্থিক লেনদেন, বিদেশি যোগাযোগ ও পরিবারের সদস্যদের ভূমিকা নিয়েও তদন্ত এগোচ্ছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।


বাংলায় বসে দেশজুড়ে নাশকতার ছক, গ্রেপ্তার বাংলাদেশী সহ ৮ পাক জঙ্গি

 

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর