অভিজিত চক্রবর্তী, নয়া জামানা, আলিপুরদুয়ার: উত্তরবঙ্গের ডুয়ার্সে পর্যটনের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে আলিপুরদুয়ার সফরে এলেন মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী। সম্প্রতি তাকে রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দ্বায়িত্ব পেয়েই বুধবার উত্তরবঙ্গ সফরে এসে রাতে হাসিমারার মালঙ্গিতে রাত্রিবাস করেন এই বর্ষীয়ান অভিনেতা। সেখান থেকে বৃহস্পতিবার রাজ্যের বনমন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাওঁয়ের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে কুমারগ্রাম ব্লকের ভারত-ভুটান সীমান্তবর্তী নয়নাভিরাম পর্যটন কেন্দ্র ‘ভুটানঘাট’ পরিদর্শন করেন তিনি। সকালে বনমন্ত্রীর সঙ্গে তিনি বক্সা টাইগার রিজার্ভের শেষ প্রান্তে অবস্থিত ভুটানঘাটে পৌঁছান। নদী, গভীর জঙ্গল আর পাহাড়ে ঘেরা ভুটানঘাটের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং রায়ডাক নদী সংলগ্ন বিখ্যাত ‘তেরঙা পাহাড়’ দেখে মুগ্ধ হন মহাগুরু।
পরিদর্শন শেষে আগামী দিনে ভুটানঘাটকে কেন্দ্র করে কীভাবে পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটানো যায়, তা নিয়ে বনমন্ত্রীর সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন মিঠুন চক্রবর্তী। তিনি আশাপ্রকাশ করেন যে, সঠিক পরিকাঠামো গড়ে উঠলে আগামী দিনে ভুটানঘাট উত্তরবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে মানচিত্রে জায়গা করে নেবে।উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গ ও ভুটান সীমান্তে অবস্থিত এই অফবিট পর্যটন কেন্দ্রে খরস্রোতা রায়ডাক নদীর ওপারেই দাঁড়িয়ে রয়েছে ভুটানের পাহাড়ি উপত্যকা। সীমান্ত সুরক্ষা ও নিরাপত্তার কারণে দীর্ঘ প্রায় দুই দশক ধরে এখানকার মূল ভিউ পয়েন্টে সাধারণ পর্যটকদের জন্য এক প্রকার বন্ধ রাখা হয়েছিল। অতি সম্প্রতি বন দফতর জায়গাটিকে পুনরায় পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করার বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। মহাগুরুর এই পরিদর্শনের পর আশা করা হচ্ছে, লোকচক্ষুর আড়ালে থাকা এই রূপসী ভুটানঘাট খুব শীঘ্রই পূর্ণাঙ্গভাবে পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হবে।
শিলিগুড়িতে তোলাবাজি ও সিন্ডিকেট! সরেজমিনে খতিয়ে দেখছে বিজেপি