ব্রেকিং
[pj-news-ticker]
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • ইছামতি পাড়ের অবৈধ হোটেল ভাঙ্গতে নির্দেশ হাইকোর্টের , ৩ সপ্তাহের ডেডলাইন

ইছামতি পাড়ের অবৈধ হোটেল ভাঙ্গতে নির্দেশ হাইকোর্টের , ৩ সপ্তাহের ডেডলাইন

নয়া জামানা : টাকি ইছামতি পাড়ের সেই বিতর্কিত দুই গেস্ট হাউস ভাঙ্গার নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। এনিয়ে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলায় হাই কোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি পার্থ সারথি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, তিন সপ্তাহের মধ্যে....

ইছামতি পাড়ের অবৈধ হোটেল ভাঙ্গতে নির্দেশ হাইকোর্টের , ৩ সপ্তাহের ডেডলাইন

নয়া জামানা : টাকি ইছামতি পাড়ের সেই বিতর্কিত দুই গেস্ট হাউস ভাঙ্গার নির্দেশ দিল কলকাতা হাই....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


নয়া জামানা : টাকি ইছামতি পাড়ের সেই বিতর্কিত দুই গেস্ট হাউস ভাঙ্গার নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। এনিয়ে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলায় হাই কোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি পার্থ সারথি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, তিন সপ্তাহের মধ্যে পৌর কর্তৃপক্ষ এই ধরনের অবৈধ নির্মাণ ভেঙ্গে ফেলার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

শুধু তাই নয়, আগামী ১৬ জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানিতে আদালতের এই নির্দেশ কতটা কার্যকর করা হয়েছে তাও জানাতে হবে আদালতে। গত বছর শীতের ছুটিতে টাকি ঘুরতে গিয়েছিলেন হাই কোর্টের দুই আইনজীবী চিন্ময় ঢালী ও তন্ময় বসু। সে সময়ই তাঁদের নজরে আসে টাকি রাজবাড়ি ঘাটের কাছে একেবারে নদীর চর দখল করে গজিয়ে উঠেছে টাকি সিটি ও দিশা দুই বিলাসবহুল হোটেল। যা নিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয় হাই কোর্টে। মঙ্গলবার সেই সংক্রান্ত মামলায় আবেদনকারীর আইনজীবী ওমর ফারুক গাজী ও সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়রা আদালতে জানান, একেবারে পরিবেশ ও পৌর আইনকে তোয়াক্কা না করে এই দুই গেস্ট হাউজ তৈরি হয়েছে। আইনজীবীর দাবি, তাজপুরের মতোই পরিবেশ ও পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে টাকিতেও এই অবৈধ হোটেল-রিসর্ট ভাঙ্গতে পদক্ষেপ নিক প্রশাসন।এতে শুধু ইছামতি নদী রক্ষাই নয়, হাজার হাজার পর্যটকের জীবন রক্ষার পাশাপাশি টাকি ও ইছামতির প্রাকৃতিক সৌন্দর্যও ফিরে আসবে। অভিযোগ, প্রভাব খাটিয়েই ইছামতির পাড়ে বেআইনিভাবে ওই নির্মানগুলি তৈরি হয়েছে। যদিও এদিন আদালতে পুর সভার তরফে দাবি করা হয়, ইতিমধ্যেই এনিয়ে আইন মোতাবেক পদক্ষেপ নিয়েছে পুরসভা। ইতিমধ্যেই ৫৭ টি বেআইনি নির্মাণ কে চিহ্নিত করা হয়েছে বলেও দাবি পুরসভার। তারপ্রেক্ষিতে এতদিন কেন এই উদ্যোগ নেওয়া হয়নি, কেন দুর্নীতির গ্রস্থ বেআইনি নির্মাণকে পশ্রয় দেওয়া হয়েছে তা নিয়ে আদালতের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় পুরসভার আইনজীবীকে। আদালতের নির্দেশ, অবিলম্বে এনিয়ে পদক্ষেপ নিতে হবে। তারজন্য ৩ সপ্তাহ সময় বেঁধে দিয়েছে আদালত।


 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর