নয়া জামানা ডেস্ক : ভোটের ফলাফল স্পষ্ট হওয়ার পরই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তিনি পুনরায় পুরাতন পেশায় প্রত্যাবর্তন করিবেন। অর্থাৎ পুনঃরায় আদালতে তাঁহাকে আইনজীবীর ভূমিকায় দেখা যাইবে। সেই ঘোষণা অনুসারেই বৃহস্পতিবার প্রভাতে আকস্মিকভাবে শামলা পরিধান করিয়া তিনি কলকাতা হাইকোর্টে উপস্থিত হন।
উক্ত দিন ভোট-পরবর্তী হিংসা সংক্রান্ত একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে তিনি স্বয়ং সওয়াল করেন। আদালতে প্রবেশ করিয়া তিনি প্রধান বিচারপতির নিকট অনুমতি প্রার্থনা করিয়া বলেন, তিনি ১৯৮৫ সাল হইতে আইনজীবী এবং সেই সূত্রে আইনজীবীর ভূমিকাতেই বক্তব্য উপস্থাপন করিতে ইচ্ছুক। অনুমতি প্রাপ্ত হয়ে তিনি একাধিক অভিযোগ আদালতের সম্মুখে উত্থাপন করেন।
তাঁহার বক্তব্যে তিনি রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর, কর্মীদের উপর আক্রমণ, এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার বিষয়টি তুলে ধরেন। শুনানি শেষে শামলা পরিধান করিয়াই তিনি কোর্ট রুম ত্যাগ করেন।
কিন্তু আদালত কক্ষ ত্যাগ করার পরই পরিস্থিতি অপ্রত্যাশিতভাবে উত্তপ্ত হইয়া ওঠে। লবিতে উপস্থিত আইনজীবীদের একাংশ তাঁহাকে লক্ষ্য করিয়া চোর স্লোগান দিতে শুরু করেন বলিয়া অভিযোগ ওঠে। সেই সময় অপ্রীতিকর মন্তব্য ও কটাক্ষও করা হয় বলিয়া জানা যায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আদালত চত্বরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
ঘটনার পর তৃণমূল সুপ্রিমো পাল্টা অভিযোগ করেন, তাঁহাকে মারধর করা হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, ভোটগণনার দিনও তাঁহার উপর আক্রমণের ঘটনা ঘটেছেছিল।