নয়া জামানা : বড়সড় ট্রেন দুর্ঘটনা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেল ওড়িশার পুরী স্টেশনগামী তালচের-পুরী মেমু প্যাসেঞ্জার ট্রেন। শুক্রবার পুরী রেল স্টেশনের অদূরে লাইনচ্যুত হয় ট্রেনের ইঞ্জিন, যার জেরে যাত্রী ও রেলকর্মীদের মধ্যে সাময়িক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তালচের থেকে পুরীগামী এই মেমু ট্রেনের ইঞ্জিন স্টেশনের ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মের কাছাকাছি, স্টেশন থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে লাইনচ্যুত হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনার সময় ট্রেনটি তুলনামূলক ধীর গতিতে চলছিল, যার ফলেই সম্ভবত বড়সড় বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়। দুর্ঘটনার জেরে ট্রেনটি ঘটনাস্থলেই আটকে পড়ে এবং রেল কর্তৃপক্ষ পুনরুদ্ধার কাজ শুরু না করা পর্যন্ত যাত্রীদের অপেক্ষা করতে হয়। স্বস্তির বিষয়, দুর্ঘটনায় কোনও যাত্রী বা রেলকর্মী আহত হননি বলে জানা গিয়েছে।
দুর্ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন রেলকর্মী ও রেল সুরক্ষা বাহিনী (আরপিএফ)-এর সদস্যরা। তাঁরা এলাকা সুরক্ষিত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং পরবর্তীতে লাইনচ্যুত ইঞ্জিন সরিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত লাইন সংস্কারের কাজে দল মোতায়েন করা হয়, যাতে দ্রুত স্বাভাবিক ট্রেন চলাচল ফিরিয়ে আনা যায়।এই ঘটনার জেরে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ট্রেন চলাচলে সাময়িক ব্যাঘাত ঘটলেও, প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী অন্যান্য ট্রেনের গতিবিধিতে বিশেষ প্রভাব পড়েনি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনও স্পষ্ট হয়নি, তদন্ত প্রক্রিয়া চলছে।
গত কয়েক মাসে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক রেল দুর্ঘটনার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। গত জুলাই মাসে হলদিয়া বন্দর স্টেশনের কাছে লাইনচ্যুত হয়েছিল একটি মালগাড়ি। কয়লা খালি করে ফেরার পথে আচমকা ব্রেক কষায় মালগাড়িটির ৪টি বগি পাশের লাইনে ছিটকে পড়ে, ক্ষতিগ্রস্ত হয় বন্দরের রেললাইনও। ঘটনার পরই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় মেরামতির কাজে নামেন হলদিয়া বন্দর ও রেলের কর্মীরা।
এছাড়া বহরমপুরে স্কুলপড়ুয়া বোঝাই একটি পুলকারে ট্রেনের ধাক্কায় বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়। তার আগে গত মে মাসে যোগ নগরী রেল স্টেশনের কাছে লাইনচ্যুত হয়েছিল উজ্জয়িনী এক্সপ্রেসের তিনটি কোচ। পরপর এই ধরনের ঘটনায় রেলের সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে।
বাসের সঙ্গে ট্রেলারের ভয়াবহ সংঘর্ষ, মৃত্যু শিশুকন্যার, জখম ১২