নয়া জামানা, কলকাতা: বারুইপুরের নৃশংস গণধর্ষণের ঘটনার পুনর্নির্মাণ করতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হল মূল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের। পুলিশ সূত্রে খবর, সূর্যপুরের ঘটনাস্থলে তদন্তের জন্য নিয়ে যাওয়া হলে প্রভাস আচমকাই পুলিশের আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। শুধু তাই নয়, সে পুলিশকে লক্ষ্য করে এক রাউন্ড গুলিও চালায় বলে দাবি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে গুরুতর জখম হয় প্রভাস। তাকে দ্রুত বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর গণধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধে এটাই প্রথম এনকাউন্টারের ঘটনা। তবে এই এনকাউন্টার নিয়ে ইতিমধ্যেই একটি তদন্ত কমিশন গঠন করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ আরও এক অভিযুক্ত কবীর মোল্লাকে গ্রেপ্তার করেছে। উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট এলাকা থেকে এসটিএফ, বারুইপুর এসওজি এবং জেলা পুলিশের যৌথ অভিযানে সে ধরা পড়ে। ঘটনার পর থেকেই কবীর ফেরার ছিল। তাকে নিয়ে এই মামলায় মোট ধৃতের সংখ্যা দাঁড়াল চার। পাশাপাশি, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ চলাকালীন পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় কড়া মনোভাব দেখিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রশাসনের কড়া পদক্ষেপের জেরে পুলিশের ওপর হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে এখনও পর্যন্ত মোট ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে তদন্ত জারি রয়েছে।